ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করেছি, উল্টো আমার ওপরই হামলা করেছে’ টিএমজিবির সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত রায় ৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ এইচএসসিতে এমন ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত সন্তান জন্মের তৃতীয় দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন মা, নবজাতক আইসিইউতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে আবার দাম বাড়ল অগ্নিকাণ্ডে পুঁজি হারানো ব্যবসায়ীর পাশে রব্বানী, দিলেন ২ লাখ টাকা একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্ব টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে আলীবাবা থেকে বাংলাদেশি কোম্পানি স্টেপ ফুটওয়্যারের জুতা কিনতে পারবেন বিদেশি ব্যবসায়ীরা

গাইবান্ধায় নাতির ছুরিকাঘাতে দাদির মৃত্যু, দাদার অবস্থা আশঙ্কাজনক

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পারিবারিক বিবাদের জেরে গাইবান্ধার সাঘাটায় নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি ফিরোজা বেগম (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার দাদা আব্দুল করিম (৭২) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত নাতি শাকিল আহমেদকে (২৫) পুলিশের হাতে তুলে দেন।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে সাঘাটা উপজেলার খামার পবন তাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত শাকিল আহমেদ তাদেরই নাতি। তিনি রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পুকিশ ও স্থানীয় জানায়, পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ বিবাদ চলছিল। অভিযুক্ত নাতি বুধবার বিকেলে ধারালো ছুরি দিয়ে দাদা-দাদিকে আক্রমণ করে। এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাতে তারা দুজনেই গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলায় ফিরোজা বেগমের একটি কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তার গাল ও গলাতেও গভীর ক্ষত হয়। আব্দুল করিমও গুরুতর আহত হন।

তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় থাকা দুজনকে উদ্ধার করতে ছুটে আসে। একই সময়ে, তারা পালানোর চেষ্টা করলে গণপিটুনির পর অভিযুক্ত নাতিকে গ্রেপ্তার করে সাঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পরে আহত দুজনকে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার ফিরোজা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাক্তাররা জানান, আব্দুল করিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম বলেন, ‘অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

গাইবান্ধায় নাতির ছুরিকাঘাতে দাদির মৃত্যু, দাদার অবস্থা আশঙ্কাজনক

আপডেট সময় : ০৭:১৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

পারিবারিক বিবাদের জেরে গাইবান্ধার সাঘাটায় নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি ফিরোজা বেগম (৬৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার দাদা আব্দুল করিম (৭২) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত নাতি শাকিল আহমেদকে (২৫) পুলিশের হাতে তুলে দেন।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে সাঘাটা উপজেলার খামার পবন তাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত শাকিল আহমেদ তাদেরই নাতি। তিনি রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পুকিশ ও স্থানীয় জানায়, পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ বিবাদ চলছিল। অভিযুক্ত নাতি বুধবার বিকেলে ধারালো ছুরি দিয়ে দাদা-দাদিকে আক্রমণ করে। এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাতে তারা দুজনেই গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলায় ফিরোজা বেগমের একটি কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তার গাল ও গলাতেও গভীর ক্ষত হয়। আব্দুল করিমও গুরুতর আহত হন।

তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় থাকা দুজনকে উদ্ধার করতে ছুটে আসে। একই সময়ে, তারা পালানোর চেষ্টা করলে গণপিটুনির পর অভিযুক্ত নাতিকে গ্রেপ্তার করে সাঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পরে আহত দুজনকে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার ফিরোজা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাক্তাররা জানান, আব্দুল করিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম বলেন, ‘অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।’