ঈদুল আজহায় শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী শিল্পপতি দাছিজুল হক আনিছ
- আপডেট সময় : ১২:৪১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নবাসীসহ দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন এলিকো এগ্রোভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিবিএফএল লিমিটেডের সিইও এবং ১০নং শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাঃ দাছিজুল হক আনিছ। একই সঙ্গে তিনি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
মুহাঃ দাছিজুল হক আনিছ একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। এলিকো এগ্রোভেট লিমিটেডের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও খামারভিত্তিক উন্নয়ন এবং তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকার বহু বেকার যুবক কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান। পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহা ত্যাগ, কোরবানি, আত্মশুদ্ধি ও মহান আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যের এক মহিমান্বিত শিক্ষা বহন করে। হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাইল (আ.)-এর কোরবানির আদর্শ আমাদের জীবনে সত্য, ন্যায়, ধৈর্য ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ধারণ করতে পারলেই মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সমাজের ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই সেই আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে। অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোই হোক এবারের ঈদের মূল প্রতিপাদ্য। আমাদের সবার উচিত ঈদের আনন্দ সমাজের প্রতিটি মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।’
চেয়ারম্যান প্রার্থী দাছিজুল হক আনিছ বলেন, ‘আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও শান্তিরাম ইউনিয়নের উন্নয়ন, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যেতে চাই। জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। নির্বাচিত হলে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে কাজ করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার লক্ষ্য শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নয়, বরং মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শান্তিরাম ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করার স্বপ্ন দেখি। দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়েই সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।’
পরিশেষে তিনি শান্তিরাম ইউনিয়নবাসীসহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল মুসলিম ভাই-বোনের সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে সবাইকে আন্তরিকভাবে জানান, ‘ঈদ মোবারক’।




















