সুন্দরগঞ্জে একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচ মাদক কারবারি আটক, কারাদণ্ড ও জরিমানা
- আপডেট সময় : ০৭:৫১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাদক বিক্রি, সেবন ও সংরক্ষণের অপরাধে একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচ মাদক কারবারিকে আটক করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান মুনসীফ। অভিযানে সহযোগিতা করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কামাল হোসেন সরদারের ছেলে লাজু সরদার (৪৮), তার স্ত্রী হাছিনা বেগম (৩০), হাছিনা বেগমের ভাই জাকিরুল ইসলাম (১৯), বেলকা ইউনিয়নের মধ্য বেলকা গ্রামের মৃত আহাদ আলীর ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৫) এবং একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মমিনুল ইসলাম (২১)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিদর্শক তরুণ কুমার রায়ের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সুন্দরগঞ্জ পৌরশহরের ওয়াল্টন প্লাজা সংলগ্ন লাজু সরদারের চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে তার স্ত্রী হাছিনা বেগমকে হেরোইনসহ আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাজু সরদার ও জাকিরুল ইসলামকে আটক করা হয়।
একই অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের মধ্য বেলকা গ্রামে মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান ও মমিনুল ইসলামকে আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হেরোইন বিক্রির দায়ে লাজু সরদারকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া গাঁজা সেবন ও সংরক্ষণের দায়ে মোস্তাফিজুর রহমান ও মমিনুল ইসলামকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। অপরদিকে হাছিনা বেগম ও জাকিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান মুনসীফ বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসা, সেবন ও সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগ অব্যাহত থাকবে।’



















