ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কমার্স ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদত্যাগ, প্রিমিয়ারে নতুন তিন পরিচালক ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়া নয়, ঐক্য ও অন্তর্ভুক্তির তাগিদ এমন স্বামী কি বাস্তবে মেলে? আবু বকরে মজেছেন দর্শকেরা শিক্ষার্থীদের দেওয়া তালা ভেঙে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার করল ছাত্রদল

সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে খামারের সেড বিধ্বস্ত, মারা গেছে ৩০০ মুরগি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৮২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ‘রোকেয়া এগ্রো’ নামের একটি খামার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে খামারের একটি বড় সেড সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৩০০টি মুরগি মারা গেছে। এতে খামারির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ‘রোকেয়া এগ্রো’ খামারের উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম। তিনি উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল দিবাগত গভীর রাতে হঠাৎ করেই এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। প্রবল বাতাস ও টানা বৃষ্টিতে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ‘রোকেয়া এগ্রো’ খামারের প্রায় ৬৫ হাত দীর্ঘ একটি সেড। ঝড়ের তীব্রতায় সেডের টিন ও কাঠামো ভেঙে পড়ে ভেতরে থাকা মুরগির ওপর। এতে খামারে থাকা প্রায় ৬৫০টি মুরগির মধ্যে প্রায় ৩০০টি চাপা পড়ে মারা যায়। আহত হয় আরও অনেক মুরগি।

ঝড়ের পর সকালে খামারের ভেতরের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল ভাঙা টিন, বাঁশ ও মৃত মুরগি। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, সঞ্চয় এবং ঋণের টাকায় গড়ে তোলা খামারের এমন ধ্বংসস্তূপ দেখে হতাশ হয়ে পড়েন খামারি ও তার পরিবার।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি শেখ রাব্বেবুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে সঞ্চিত টাকা ও ঋণ নিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। কিন্তু এক রাতের ঝড়ে সবকিছু প্রায় শেষ হয়ে গেল। এত বড় ক্ষতি কীভাবে সামাল দেব বুঝতে পারছি না।’

তিনি জানান, মারা যাওয়া মুরগির কারণে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সেড ভেঙে যাওয়ায় আরও প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, ‘এখন নতুন করে খামার চালু করতে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা না পেলে ঘুরে দাঁড়ানো খুব কঠিন হয়ে যাবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে খামারের সেড বিধ্বস্ত, মারা গেছে ৩০০ মুরগি

আপডেট সময় : ০৪:১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ‘রোকেয়া এগ্রো’ নামের একটি খামার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে খামারের একটি বড় সেড সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৩০০টি মুরগি মারা গেছে। এতে খামারির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ‘রোকেয়া এগ্রো’ খামারের উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম। তিনি উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল দিবাগত গভীর রাতে হঠাৎ করেই এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। প্রবল বাতাস ও টানা বৃষ্টিতে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ‘রোকেয়া এগ্রো’ খামারের প্রায় ৬৫ হাত দীর্ঘ একটি সেড। ঝড়ের তীব্রতায় সেডের টিন ও কাঠামো ভেঙে পড়ে ভেতরে থাকা মুরগির ওপর। এতে খামারে থাকা প্রায় ৬৫০টি মুরগির মধ্যে প্রায় ৩০০টি চাপা পড়ে মারা যায়। আহত হয় আরও অনেক মুরগি।

ঝড়ের পর সকালে খামারের ভেতরের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল ভাঙা টিন, বাঁশ ও মৃত মুরগি। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, সঞ্চয় এবং ঋণের টাকায় গড়ে তোলা খামারের এমন ধ্বংসস্তূপ দেখে হতাশ হয়ে পড়েন খামারি ও তার পরিবার।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি শেখ রাব্বেবুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে সঞ্চিত টাকা ও ঋণ নিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। কিন্তু এক রাতের ঝড়ে সবকিছু প্রায় শেষ হয়ে গেল। এত বড় ক্ষতি কীভাবে সামাল দেব বুঝতে পারছি না।’

তিনি জানান, মারা যাওয়া মুরগির কারণে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সেড ভেঙে যাওয়ায় আরও প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, ‘এখন নতুন করে খামার চালু করতে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা না পেলে ঘুরে দাঁড়ানো খুব কঠিন হয়ে যাবে।’