ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আদর্শবান শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে নাজমুল গত ২০ বছরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জীবনমান ও মূল্যবৃদ্ধি একনজরে কাপ্তাই হ্রদের কাচকি-চাপিলা মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিক, যেসব কারণ জানালেন গবেষকেরা রিপাবলিকানদের টেক্সাস ‘দুর্গ’ কি এবার ভেঙে দিতে পারবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ৩৭ বছর বয়সী টালারিকো ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ অবস্থানে আফগানিস্তান, পেছনে পড়ল শ্রীলঙ্কাও মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল, তবে জরিপ নিয়ে আশঙ্কাও কি নেই এক জোড়া ছোট্ট মাছের দাম ১৫ হাজার টাকা, মেলায় ছিল আরও কত চমক সাপ-পোকামাকড়ের ভয় মানেই প্রকৃতির প্রতি অনাগ্রহ নয় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক জড়িত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা রেখেছে চীন, দেখায়নি রিয়াল মাদ্রিদের খেলা

সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ, খুনিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গাইবান্ধা জেলা শাখা।

সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এর আগে সকাল ১১টায় গাইবান্ধা পৌর পার্কের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।

গাইবান্ধা জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, গাইবান্ধা জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু হাসান, ফেরদৌস সরকার রুম্মান, জেলা সেক্রেটারি ফাহিম মণ্ডলসহ অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা বলেন, সাইফুল্লাহ বারী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একজন আসামি গ্রেপ্তার হলেও মূল অভিযুক্তসহ অন্যরা এখনও পলাতক রয়েছে। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সমাবেশে বক্তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সমালোচনা করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন ও সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। রোববার (২১ জুন) বিকেলে বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও শিবিরকর্মী সালাহউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুল, তার ভাই পলাশ, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আখন্দ, যুবদল নেতা রবিউল ইসলামসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলায় অংশ নেয়। হামলার একপর্যায়ে সাইফুল্লাহ বারীকে ধাওয়া করে গলায় ছুরিকাঘাত করা হয়। একই সঙ্গে সালাহউদ্দিনকেও গুরুতর জখম করা হয়।

স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে সাইফুল্লাহ বারীকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত সালাহউদ্দিনকে প্রথমে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে সোমবার রাত ১টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পারিবারিক সূত্র জানায়, হামলার ফলে তার পিঠের ডান পাশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এবং ফুসফুসও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। তার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

নিহত সাইফুল্লাহ বারী শিমুলতাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং রংপুরের সাতগড়া মডেল কামিল মাদ্রাসার আল-কুরআন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশি টহলও জোরদার করা হয়েছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আশরাফ আখন্দ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরপরই বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুলকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে গাইবান্ধা জেলা যুবদল।

গাইবান্ধা জেলা যুবদলের সভাপতি রাগিব হাসান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টো স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বহন করবে না। একই সঙ্গে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ, খুনিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গাইবান্ধা জেলা শাখা।

সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এর আগে সকাল ১১টায় গাইবান্ধা পৌর পার্কের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।

গাইবান্ধা জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, গাইবান্ধা জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু হাসান, ফেরদৌস সরকার রুম্মান, জেলা সেক্রেটারি ফাহিম মণ্ডলসহ অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা বলেন, সাইফুল্লাহ বারী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একজন আসামি গ্রেপ্তার হলেও মূল অভিযুক্তসহ অন্যরা এখনও পলাতক রয়েছে। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সমাবেশে বক্তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সমালোচনা করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন ও সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। রোববার (২১ জুন) বিকেলে বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও শিবিরকর্মী সালাহউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুল, তার ভাই পলাশ, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আখন্দ, যুবদল নেতা রবিউল ইসলামসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলায় অংশ নেয়। হামলার একপর্যায়ে সাইফুল্লাহ বারীকে ধাওয়া করে গলায় ছুরিকাঘাত করা হয়। একই সঙ্গে সালাহউদ্দিনকেও গুরুতর জখম করা হয়।

স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে সাইফুল্লাহ বারীকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত সালাহউদ্দিনকে প্রথমে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে সোমবার রাত ১টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পারিবারিক সূত্র জানায়, হামলার ফলে তার পিঠের ডান পাশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এবং ফুসফুসও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। তার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

নিহত সাইফুল্লাহ বারী শিমুলতাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং রংপুরের সাতগড়া মডেল কামিল মাদ্রাসার আল-কুরআন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশি টহলও জোরদার করা হয়েছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আশরাফ আখন্দ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরপরই বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুলকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে গাইবান্ধা জেলা যুবদল।

গাইবান্ধা জেলা যুবদলের সভাপতি রাগিব হাসান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টো স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বহন করবে না। একই সঙ্গে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।