ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিউমার্কেটের সামনে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান, বসানো হলো গাছের চারা ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ, ভাঙচুর বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত ছেলে বেঁচে নেই, এইচএসসির ফল দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাবা দেশের আর্থিক খাত সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক শুধু শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা-কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন হয়নি: জেএসডি হ্যালোউইনে মা শ্রীদেবীর আইকনিক ‘নাগিনা’ লুকে হইচই ফেলে দিয়েছেন জাহ্নবী সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর জমির বাণিজ্যিকীকরণে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে ঢাকা

বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত দুই সরকারের গাফিলতির কারণে দেশে হাম ছড়িয়ে পড়ে এবং সময়মতো টিকা না দেওয়ায় বহু শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ধরনের অবহেলাকে তিনি ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাম পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং অনেক শিশুর জীবন রক্ষা করা গেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কেবল একটি সেবা নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার—যা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতি অনুসরণ করে সরকার আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্যখাত শক্তিশালী করতে এক লাখ নতুন জনবল নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পূর্ণাঙ্গ মাতৃত্বসেবা কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানান।

স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে রোগীদের ডিজিটাল স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ সহজ হবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) মডেলের আদলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের এই ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। তাদের যাতায়াত সুবিধার জন্য গাড়ি, জ্বালানি ও চালকের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে তা কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং ডা. এম এ মুহিত। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাঁচ শতাধিক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এতে অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী 

আপডেট সময় : ০৭:০৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত দুই সরকারের গাফিলতির কারণে দেশে হাম ছড়িয়ে পড়ে এবং সময়মতো টিকা না দেওয়ায় বহু শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ধরনের অবহেলাকে তিনি ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাম পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং অনেক শিশুর জীবন রক্ষা করা গেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কেবল একটি সেবা নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার—যা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতি অনুসরণ করে সরকার আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্যখাত শক্তিশালী করতে এক লাখ নতুন জনবল নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পূর্ণাঙ্গ মাতৃত্বসেবা কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানান।

স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে রোগীদের ডিজিটাল স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ সহজ হবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) মডেলের আদলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের এই ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। তাদের যাতায়াত সুবিধার জন্য গাড়ি, জ্বালানি ও চালকের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে তা কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং ডা. এম এ মুহিত। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাঁচ শতাধিক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এতে অংশগ্রহণ করেন।