সর্বকালের সবচেয়ে বেশি আয় করা ১০ সিনেমা, সাফল্যের নেপথ্যে কী
- আপডেট সময় : ০৯:৫০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

হলিউডে ব্লকবাস্টার সিনেমা তৈরির স্বপ্ন বহুদিনের। ১৯৭৫ সালে স্টিভেন স্পিলবার্গের জস সিনেমা উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে ১০ কোটি ডলারের বেশি আয় করে নতুন ইতিহাস গড়েছিল। সেই থেকে বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর লক্ষ্য হয়ে ওঠে বক্স অফিসে বিপুল আয়। তবে একটি সিনেমা কীভাবে শতকোটি ডলারের ব্যবসা করে, সেই প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই।
ফোর্বসের বিনোদনবিষয়ক লেখক টিম ল্যামারসের বিশ্লেষণ বলছে, সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমাগুলোর সাফল্যের পেছনে দুটি বিষয় বিশেষভাবে কাজ করেছে—দর্শকের সঙ্গে গল্পের সংযোগ এবং পরিচিত চরিত্র ও ফ্র্যাঞ্চাইজির আকর্ষণ। ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসের হিসাব বিশ্লেষণ করে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে পরিচিত গল্প, জনপ্রিয় চরিত্র, আবেগ এবং দর্শনীয় নির্মাণশৈলী মিলে তৈরি হয়েছে একেকটি ব্লকবাস্টার।
সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ১০ সিনেমা
মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে টিকিটের দাম সমন্বয় না করে বিশ্বব্যাপী আয়ের হিসাবে সর্বকালের সেরা ১০ সিনেমার তালিকায় আটটি ছবির আয় ২০০ কোটি ডলারের বেশি। বাকি দুটি ছবিও সেই মাইলফলকের খুব কাছাকাছি।
‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ (২০১৯)—২৯৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।
‘অ্যাভাটার’ (২০০৯)—২৯২ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ (২০২৬)—২৫১ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ (২০২২)—২৩৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
‘নে ঝা ২’ (২০২৫)—২২৭ কোটি ডলার।
‘টাইটানিক’ (১৯৯৭)—২২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
‘স্টার ওয়ারস: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’ (২০১৫)—২০৭ কোটি ১০ লাখ ডলার।
‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’ (২০১৮)—২০৫ কোটি ২০ লাখ ডলার।
‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’ (২০২১)—১৯২ কোটি ১০ লাখ ডলার।
‘জুটোপিয়া ২’ (২০২৫)—১৮৭ কোটি ডলার।
.
শীর্ষে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’
২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ এখনো বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় শীর্ষে। অ্যান্থনি ও জো রুশো পরিচালিত ছবিটি ছিল মার্ভেলের মূল অ্যাভেঞ্জারদের দীর্ঘদিনের গল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি। রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, ক্রিস ইভানস, ক্রিস হেমসওয়ার্থ ও স্কারলেট জোহানসনের মতো তারকারা অভিনয় করেছেন এতে।
২০১৮ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’-এর শেষে থানোসের আঙুলের এক চুটকিতে মহাবিশ্বের অর্ধেক প্রাণী বিলীন হয়ে যায়। সেই ঘটনার পাঁচ বছর পরের কাহিনি নিয়ে নির্মিত এন্ডগেম। হারিয়ে যাওয়া মানুষদের ফিরিয়ে আনতে অ্যাভেঞ্জাররা শুরু করে সময়ভ্রমণের এক বিপজ্জনক অভিযান।
ছবিটির সাফল্যের বড় কারণ ছিল দর্শকের দীর্ঘদিনের আবেগ ও অপেক্ষা। ২০০৮ সালে আয়রন ম্যান দিয়ে যে গল্পের সূচনা, এক দশকের বেশি সময় ধরে সেই গল্পের সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন দর্শকেরা। ফলে প্রিয় চরিত্রগুলোর বিদায়, ত্যাগ ও আবেগঘন পরিণতি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করেছিলেন তাঁরা। যদিও ২০২৪ সালে মার্ভেল ঘোষণা দেয়, আবারও ফিরছেন অ্যাভেঞ্জাররা। আসছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’।
‘অ্যাভাটার’ বদলে দিয়েছিল সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা
জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’ মুক্তি পায় ২০০৯ সালে। কাল্পনিক গ্রহ প্যান্ডোরার পটভূমিতে নির্মিত এই ছবিতে দেখা যায়, সাবেক সেনাসদস্য জেক সালি সেখানে গিয়ে এক ভিন্ন জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হন। নাভি জনগোষ্ঠীর সদস্য নেইতিরির প্রেমে পড়ে ধীরে ধীরে বদলে যায় তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি। পৃথিবীর মানুষের লোভ ও প্যান্ডোরার প্রাকৃতিক সম্পদ দখলের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে দাঁড়ান তিনি।
.
‘টাইটানিক’-এর পর আবারও বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন ক্যামেরন। তবে শুধু গল্প নয়, ছবিটির ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তি ও চোখধাঁধানো দৃশ্যও দর্শকদের আকৃষ্ট করেছিল। বড় পর্দায় নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম হয়েছিল ছবিটি। টিকিটের বাড়তি দাম দিয়েও দর্শকেরা সিনেমাটি দেখতে আগ্রহী হয়েছিলেন।
১৩ বছর পর মুক্তি পায় ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। এবার প্যান্ডোরার জলজ পরিবেশ ও মেটকায়িনা জনগোষ্ঠীকে ঘিরে এগিয়েছে গল্প। প্রথম ছবির জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে সিক্যুয়েলটিও বিশ্বব্যাপী ২৩৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয় করে। ক্যামেরনের পরিচালনায় ২০০০ কোটি ডলারের বেশি আয় করা সিনেমার সংখ্যা দাঁড়ায় তিনে—‘টাইটানিক’, ‘অ্যাভাটার’ও ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’।
চীনা অ্যানিমেশনও দেখিয়েছে চমক
তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে চীনা অ্যানিমেশন সিনেমা ‘নে ঝা ২’। ইউ ইয়াং পরিচালিত ছবিটি ২০১৯ সালের ‘নে ঝা’র সিক্যুয়েল। চীনা পুরাণের জনপ্রিয় চরিত্র নে ঝাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই অ্যাকশন-ফ্যান্টাসি ছবির গল্প।
বিশ্বব্যাপী ২২৭ কোটি ডলার আয় করা ছবিটির সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে চীনের বাজার থেকে। মোট আয়ের প্রায় ২২০ কোটি ৯০ লাখ ডলারই এসেছে দেশটি থেকে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ছবিটির আয় ছিল মাত্র ২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের মতো। অর্থাৎ হলিউডের বাইরের একটি দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ও পুরাণভিত্তিক অ্যানিমেশনও যে বিশ্ব বক্স অফিসে বড় সাফল্য পেতে পারে, তার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে ‘নে ঝা ২’।
তালিকায় ব্যতিক্রম ‘টাইটানিক’
সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় ‘টাইটানিক’ কিছুটা ব্যতিক্রম। কারণ, অন্য ছবিগুলোর অধিকাংশই কল্পবিজ্ঞান, সুপারহিরো কিংবা ফ্যান্টাসিনির্ভর। কিন্তু জেমস ক্যামেরনের ১৯৯৭ সালের এই সিনেমার গল্পের ভিত্তি বাস্তব একটি ঐতিহাসিক দুর্ঘটনা।
লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও কেট উইন্সলেট অভিনীত ছবিটিতে জ্যাক ও রোজের প্রেমের গল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ১৯১২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের মর্মান্তিক ঘটনা। শ্রেণিবৈষম্য, প্রেম, বিচ্ছেদ ও মৃত্যুর মতো সর্বজনীন আবেগ ছবিটিকে দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
১১টি অস্কার জেতা ছবিটি শিল্প ও বাণিজ্য—দুই ক্ষেত্রেই বিরল সাফল্য পেয়েছে। তালিকার সেরা ১০ সিনেমার মধ্যে একমাত্র ‘টাইটানিক’ই সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কার জিতেছে।
.
পরিচিত চরিত্র ও গল্পই কি সাফল্যের চাবিকাঠি?
সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমাগুলোর তালিকা বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শীর্ষ ১০ ছবির মধ্যে টাইটানিক বাদে বাকি নয়টি সিনেমাই কোনো না কোনো জনপ্রিয় ঘরানা কিংবা পরিচিত গল্পের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে আটটি ছবিই আগে থেকে প্রতিষ্ঠিত কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশ।
সুপারহিরো সিনেমার আধিপত্যও চোখে পড়ার মতো। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’, ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ ও ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’—চারটি ছবিই এই ঘরানার।
পরিচিত চরিত্র ও গল্পের প্রতি দর্শকের আগ্রহকে কাজে লাগাতে চায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো। কারণ, শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করে সম্পূর্ণ নতুন গল্প ও চরিত্র নিয়ে ঝুঁকি নেওয়ার চেয়ে প্রতিষ্ঠিত ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তি নির্মাণ তুলনামূলক নিরাপদ বলে মনে করে তারা।
তবে শুধু পরিচিতি থাকলেই সাফল্য আসে না। দর্শকের সঙ্গে গল্পের আবেগের সংযোগও জরুরি। পর্দার চরিত্রের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতে পারলে কিংবা তাদের আনন্দ-বেদনার সঙ্গে একাত্ম হতে পারলে সেই সিনেমা দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। আবার সেই অভিজ্ঞতা ফিরে পেতে দর্শক ছবিটি দ্বিতীয়বারও দেখতে চান।
.
সুপারহিরো সিনেমায় ক্লান্তি, তবু আশা ছাড়ছে না হলিউড
‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ মুক্তির পর সুপারহিরো সিনেমা নিয়ে দর্শকের আগ্রহে ভাটা পড়তে শুরু করে। চলচ্চিত্রবিশ্বে এই প্রবণতা পরিচিতি পেয়েছে ‘সুপারহিরো ফ্যাটিগ’ নামে। একের পর এক সুপারহিরো সিনেমা মুক্তি পেলেও আগের মতো সাফল্য পাচ্ছে না অনেক ছবিই।
২০১৯ সালের পর ডিজনির প্রযোজিত মার্ভেল সিনেমাগুলোর মধ্যে বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি ডলারের বেশি আয় করতে পেরেছে মাত্র একটি-২০২৪ সালের ডেডপুল অ্যান্ড উলভারিন। ছবিটি আয় করে ১৩৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
অবশ্য কিছু ছবি ভালো ব্যবসা করেছে। ২০২২ সালে ‘ডক্টর স্ট্রেঞ্জ ইন দ্য মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস’ আয় করে ৯৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। একই বছর ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরএভার আয় করে ৮৫ কোটি ৯২ লাখ ডলার। তবু সামগ্রিকভাবে মার্ভেলের আগের সাফল্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এখন মার্ভেলের ভরসা আবারও পরিচিত তারকারা। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ছবিতে ফিরছেন আগের অ্যাভেঞ্জারদের অনেকেই। এই ছবি সুপারহিরো ঘরানার হারানো জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনতে পারে কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে।
.‘পুষ্পা’কে হারিয়ে এটি এখন সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা হিন্দি ছবি.
এক বিলিয়ন ডলারের সাফল্য কি বারবার পাওয়া সম্ভব
বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণ করলেই যে বক্স অফিসে সাফল্য আসবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। জেমস ক্যামেরন ও ক্রিস্টোফার নোলান—এই দুই নির্মাতাই যেন একাধিকবার প্রমাণ করেছেন, কীভাবে দর্শককে প্রেক্ষাগৃহে টেনে আনা যায়। ক্যামেরনের টাইটানিক ও অ্যাভাটার সিরিজের পাশাপাশি নোলানের ‘দ্য ডার্ক নাইট’ ফ্র্যাঞ্চাইজিও বক্স অফিসে বড় সাফল্য পেয়েছে। নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ ও আলোচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে তারকা থাকলেই যে সিনেমা সফল হবে, সেই ধারণাও এখন আর নিশ্চিত নয়। ২০২৬ সালে টম ক্রুজ অভিনীত অ্যাপোক্যালিপটিক ব্যঙ্গধর্মী ছবি ‘ডিগার’ বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ বড় তারকার উপস্থিতিও সব সময় দর্শক টানতে পারে না।
এর বিপরীতে কম বাজেটের সিনেমাও যে বিপুল মুনাফা করতে পারে, তার উদাহরণ ‘অবসেশন’। কারি বার্কার পরিচালিত হরর ছবিটির নির্মাণ ব্যয় ছিল মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি প্রায় দেড় কোটি ডলারে কিনে নেয় ফোকাস ফিচার্স। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই ছবিটি আয় করে ১ কোটি ৭১ লাখ ডলার। শেষ পর্যন্ত উত্তর আমেরিকায় ২৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় ২৫ কোটি ৬৬ লাখ ডলার আয় করে। বিশ্বব্যাপী ছবিটির মোট আয় দাঁড়ায় প্রায় ৫২ কোটি ডলার।
একইভাবে কেন পারসনসের স্বল্প বাজেটের হরর ছবি ব্যাকরুমস নির্মাণে খরচ হয়েছিল ১ কোটি ডলার। বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় দাঁড়ায় ৪০ কোটি ডলার।
এই দুই ছবির নির্মাতারই ইউটিউবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে আগে থেকে দর্শক তৈরি হয়েছিল। সেই দর্শকেরাই পরে তাঁদের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে গেছেন। অর্থাৎ নতুন গল্পের পাশাপাশি নতুন নির্মাতারাও দর্শকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করছেন।
সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমাগুলোর তালিকা থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার—বক্স অফিসে সাফল্যের কোনো নির্দিষ্ট সূত্র নেই। পরিচিত ফ্র্যাঞ্চাইজি, জনপ্রিয় তারকা, বড় বাজেট কিংবা চোখধাঁধানো ভিজ্যুয়াল-কোনোটিই এককভাবে সাফল্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে না।
বরং দর্শকের সঙ্গে গল্পের সংযোগ তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি সিনেমা দর্শককে আনন্দ দিতে পারলে, আবেগে নাড়া দিতে পারলে কিংবা নতুন অভিজ্ঞতা দিতে পারলে বক্স অফিসে সাফল্যের সম্ভাবনা তৈরি হয়।
























