ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে জোরপূর্বক পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টায় বাঁধা দেওয়ায় থানায় মিথ্যা অভিযোগ 

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জোরপূর্বক পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টায় বাঁধা দেওয়ায় চাঁদা দাবী, বাড়ীঘর ও দোকান ভাংচুরসহ লুটপাট করার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার করে থানায় মিথ্যা এজাহার দাবী করেন ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল। ঘটনাটি পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড বাইপাস রোড নামক স্থানে ঘটেছে।

বুধবার সকালে সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, আব্দুল জলিল ও ছারোয়ার মিয়ার মাঝে দীর্ঘদিন থেকে পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসতেছিলো। বর্তমানে এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান অবস্থায় রয়েছে। এর মাঝে ছারোয়ার মিয়া গোপনে মামলাকৃত জমির উপর জোরপূর্বক ঘর নির্মানে অপচেষ্টা করেন বিষয়টি জানতে পেরে ঘর নির্মাণে বাঁধা প্রদান করেন আব্দুল জলিল। এতে দুপক্ষের মাঝে বাগবিতণ্ড সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে তাদের দুপক্ষকে বসে সমাধান করার কথা বলেন।

এর মাঝে জোরপূর্বক পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে জড়িত করেন এবং এতে একটি দোকানঘর ভাংচুরে ক্ষতি ৩০ হাজার টাকা দিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেন।

এবিষয়ে স্থানীয় ও দোকান ভাংচুর অভিযোগে দোকান মালিক নাম রহিম মিয়া জানান, ঘটনার সময় আমি দোকানে ছিলাম। এখানে জমি নিয়ে ঝামেলা হচ্ছিল, আমাকে দোকান বন্ধ করে বলায় আমি দোকান বন্ধ করি। আমার দোকানে কোনো ভাংচুর বা ১ টাকাও ক্ষতি হয়নি। এজাহারে যদি আমার দোকানের কথা উল্লেখ থাকে তাহলে এই অভিযোগ মিথ্যা।

ভুক্তভোগী সাজু মিয়া জানান, আমাদের জমি দখল করে ছারোয়ার মিয়া বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন আমরা শুধু কাজ করতে নিষেধ করেছি। তারা কাজ বন্ধ না করায় চিল্লাচিল্লি শুরু হয় আশেপাশের সব লোকজনও আছে। পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করে দিয়ে দু-পক্ষকে থানায় ডেকে যায়। সন্ধায় জানতে পাড়ি আমাদের নামে মিথ্যা এজাহার দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা আশরাফুল ইসলাম জানাম, ঘটনা আমার সময়েই হয়েছে। এখানে কোনো মারামারি বা ভাংচুর বা টাকা পয়সা লুটপাট কিছুই হয়নি। আমি ছোট বেলা থেকে দেখে আসতেছি এই জমি নিয়ে ঝামেলা চলছে।

এছাড়া স্থানীয়দের কন্ঠ রোঁধ করার জন্য কয়েকজন প্রতিবেশির নাম ও এজাহার যুক্ত করেন ছারোয়ার মিয়া, এবিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হয় না।

এজাহারে বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন এজাহারে বেশি বেশি তারা উল্লেখ করছে, ওখানে হাতাহাতি হয়েছে মূলত জমি নিয়ে ঝামেলা । এই ঘটনায় আগামী শনিবার দুই পক্ষে বসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জে জোরপূর্বক পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টায় বাঁধা দেওয়ায় থানায় মিথ্যা অভিযোগ 

আপডেট সময় : ১২:২৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জোরপূর্বক পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টায় বাঁধা দেওয়ায় চাঁদা দাবী, বাড়ীঘর ও দোকান ভাংচুরসহ লুটপাট করার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার করে থানায় মিথ্যা এজাহার দাবী করেন ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল। ঘটনাটি পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড বাইপাস রোড নামক স্থানে ঘটেছে।

বুধবার সকালে সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, আব্দুল জলিল ও ছারোয়ার মিয়ার মাঝে দীর্ঘদিন থেকে পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসতেছিলো। বর্তমানে এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান অবস্থায় রয়েছে। এর মাঝে ছারোয়ার মিয়া গোপনে মামলাকৃত জমির উপর জোরপূর্বক ঘর নির্মানে অপচেষ্টা করেন বিষয়টি জানতে পেরে ঘর নির্মাণে বাঁধা প্রদান করেন আব্দুল জলিল। এতে দুপক্ষের মাঝে বাগবিতণ্ড সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে তাদের দুপক্ষকে বসে সমাধান করার কথা বলেন।

এর মাঝে জোরপূর্বক পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে জড়িত করেন এবং এতে একটি দোকানঘর ভাংচুরে ক্ষতি ৩০ হাজার টাকা দিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেন।

এবিষয়ে স্থানীয় ও দোকান ভাংচুর অভিযোগে দোকান মালিক নাম রহিম মিয়া জানান, ঘটনার সময় আমি দোকানে ছিলাম। এখানে জমি নিয়ে ঝামেলা হচ্ছিল, আমাকে দোকান বন্ধ করে বলায় আমি দোকান বন্ধ করি। আমার দোকানে কোনো ভাংচুর বা ১ টাকাও ক্ষতি হয়নি। এজাহারে যদি আমার দোকানের কথা উল্লেখ থাকে তাহলে এই অভিযোগ মিথ্যা।

ভুক্তভোগী সাজু মিয়া জানান, আমাদের জমি দখল করে ছারোয়ার মিয়া বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন আমরা শুধু কাজ করতে নিষেধ করেছি। তারা কাজ বন্ধ না করায় চিল্লাচিল্লি শুরু হয় আশেপাশের সব লোকজনও আছে। পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করে দিয়ে দু-পক্ষকে থানায় ডেকে যায়। সন্ধায় জানতে পাড়ি আমাদের নামে মিথ্যা এজাহার দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা আশরাফুল ইসলাম জানাম, ঘটনা আমার সময়েই হয়েছে। এখানে কোনো মারামারি বা ভাংচুর বা টাকা পয়সা লুটপাট কিছুই হয়নি। আমি ছোট বেলা থেকে দেখে আসতেছি এই জমি নিয়ে ঝামেলা চলছে।

এছাড়া স্থানীয়দের কন্ঠ রোঁধ করার জন্য কয়েকজন প্রতিবেশির নাম ও এজাহার যুক্ত করেন ছারোয়ার মিয়া, এবিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হয় না।

এজাহারে বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন এজাহারে বেশি বেশি তারা উল্লেখ করছে, ওখানে হাতাহাতি হয়েছে মূলত জমি নিয়ে ঝামেলা । এই ঘটনায় আগামী শনিবার দুই পক্ষে বসবে।