গাইবান্ধায় কিশোর রায়হান হত্যা: ঢাকা থেকে দুই বন্ধু গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় কিশোর রায়হান প্রধানকে (১৬) দীঘির পানিতে চুবিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত তার দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৩। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. সাকিব মিয়া (১৮) ও মো. রিফাদ মিয়া (১৬)।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাকিব মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার জবান আলীর ছেলে এবং রিফাদ মিয়া সাইদুল ইসলামের ছেলে। তারা দুজনই ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব জানায়, গত ১৬ জুন বিকেলে রায়হান প্রধানকে তার দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা রায়হানকে মারধর করে পানিতে চুবিয়ে ধরে রাখে। এতে রায়হান অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দীঘির পাড়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দা হিরা মিয়া রায়হানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্তদের স্বজনরা রায়হানের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মকবুল হোসেন গত ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
র্যাব জানায়, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকা থেকে সাকিব মিয়াকে এবং রাত ১১টার দিকে বিমানবন্দর থানাধীন সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের সামনে থেকে রিফাদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ দমনে র্যাবের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’



















