ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমেরিকান ড্রিম নিয়ে কিছু ভাবনা হার্ভার্ডের লিড ফেলোশিপ, অনলাইনের পাশাপাশি কেমব্রিজে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে খরচের চাপে ৮১% কর্মীর অবসরকালীন আর্থিক পরিকল্পনা নেই ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৯ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার মস্কোর পার্কে হামলার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার পর কিশোরকে আটক করল রাশিয়া কেমব্রিজের কুয়াশায় ক্রিস্টোফার রাউন্ডের ছায়া: প্রেম, ঈর্ষা ও এক অশান্ত আত্মার গল্প

গাইবান্ধায় ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, জরিমানা দেড় লাখ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো প্রায় ৬০ মণ হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করে ধ্বংস করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী পারভীন বেগমকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকশিগঞ্জ এলাকার বড় ছত্রগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত খালেক পাইকারের হলুদ মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মিলন মিয়া, র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। এসব ভেজাল মসলা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করা হয়। পরে জনসম্মুখে সেগুলো ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় বাজারে প্রবেশ করতে না পারে।

সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে অভিযানের খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

গাইবান্ধায় ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, জরিমানা দেড় লাখ

আপডেট সময় : ১০:৩৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো প্রায় ৬০ মণ হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করে ধ্বংস করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী পারভীন বেগমকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকশিগঞ্জ এলাকার বড় ছত্রগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত খালেক পাইকারের হলুদ মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মিলন মিয়া, র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। এসব ভেজাল মসলা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করা হয়। পরে জনসম্মুখে সেগুলো ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় বাজারে প্রবেশ করতে না পারে।

সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে অভিযানের খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।