ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় বিভাজন মানবতার পরিপন্থী : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি, সহিংসতা ও ঘৃণা মানবতার মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশন আয়োজিত ‘শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা–২০২৬’ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, মানুষে মানুষে বিভাজন তৈরি করা মানবতার পরিপন্থী। ধর্ম কখনোই সংঘাত বা সহিংসতার জন্য নয়, বরং মানুষের কল্যাণ ও শান্তির জন্য এসেছে। তিনি বলেন, কোনো মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তাকে আঘাত করা বা হত্যা করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ ও অস্ত্র প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি মানবতার জন্য বড় হুমকি। শান্তির পক্ষে থাকা শক্তিগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। তার মতে, শান্তি ও সহনশীলতা ছাড়া স্থিতিশীল সমাজ গঠন সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। ধর্ম, মত ও পরিচয়ের ভেদাভেদ ভুলে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত ধর্মমিত্র মহাথের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ধর্মীয় বিভাজন মানবতার পরিপন্থী : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০১:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি, সহিংসতা ও ঘৃণা মানবতার মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশন আয়োজিত ‘শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা–২০২৬’ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, মানুষে মানুষে বিভাজন তৈরি করা মানবতার পরিপন্থী। ধর্ম কখনোই সংঘাত বা সহিংসতার জন্য নয়, বরং মানুষের কল্যাণ ও শান্তির জন্য এসেছে। তিনি বলেন, কোনো মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তাকে আঘাত করা বা হত্যা করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ ও অস্ত্র প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি মানবতার জন্য বড় হুমকি। শান্তির পক্ষে থাকা শক্তিগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। তার মতে, শান্তি ও সহনশীলতা ছাড়া স্থিতিশীল সমাজ গঠন সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। ধর্ম, মত ও পরিচয়ের ভেদাভেদ ভুলে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত ধর্মমিত্র মহাথের।