ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আদালত অবমাননার অভিযোগ, আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুর ও সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে? উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি তাহসিফের, নিশ্চিত করল পিবিআই পম্পেইয়ের আলমারিতে সুগন্ধির শিশি ও শিশুর গলার হার শিক্ষার্থীরা রাতে ঘরের বাইরে আড্ডা দিলে গ্রেপ্তার করবে পুলিশ: চট্টগ্রামের ডিআইজি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পর জার্মানির একাধিক শহরে সহিংসতা পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করল সরকার মসজিদকে একটি ‘জীবন্ত প্রতিষ্ঠান’ করবেন যেভাবে সত্যিই কি সব মৌলিক সংখ্যা 6k ± 1 আকারের? প্রমাণ কী?

আজ মহান মে দিবস: শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদার লড়াইয়ের প্রতীক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ ১ মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। বিশ্বজুড়ে ‘মে দিবস’ হিসেবে পরিচিত এ দিনটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায় ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে পালিত হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়।

দিবসটি উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শ্রমিক সংগঠন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সভা-সেমিনার, আলোচনা অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’।

মে দিবসের ইতিহাস জড়িয়ে আছে শ্রমিকের রক্ত ও আত্মত্যাগের সঙ্গে। ১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কর্মঘণ্টার দাবিতে আন্দোলনে নামেন শ্রমিকরা। সেই আন্দোলনে বহু শ্রমিক প্রাণ হারান। পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালে আন্তর্জাতিকভাবে ১ মে-কে শ্রমিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই আন্দোলনের ফলেই বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের কাজের সময় নির্ধারণ, ন্যায্য মজুরি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। যদিও এখনও সব ক্ষেত্রে সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবুও মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের ন্যায়সংগত দাবির অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের অবদানকে দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

সরকার শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, সমান মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করে যাচ্ছে বলেও বাণীতে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও শ্রমিকদের ঘামেই এগিয়ে চলছে অর্থনীতি। তাই তাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত—এটাই মে দিবসের মূল বার্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

আজ মহান মে দিবস: শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদার লড়াইয়ের প্রতীক

আপডেট সময় : ০৭:৪২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

আজ ১ মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। বিশ্বজুড়ে ‘মে দিবস’ হিসেবে পরিচিত এ দিনটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায় ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে পালিত হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়।

দিবসটি উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শ্রমিক সংগঠন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সভা-সেমিনার, আলোচনা অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’।

মে দিবসের ইতিহাস জড়িয়ে আছে শ্রমিকের রক্ত ও আত্মত্যাগের সঙ্গে। ১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কর্মঘণ্টার দাবিতে আন্দোলনে নামেন শ্রমিকরা। সেই আন্দোলনে বহু শ্রমিক প্রাণ হারান। পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালে আন্তর্জাতিকভাবে ১ মে-কে শ্রমিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই আন্দোলনের ফলেই বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের কাজের সময় নির্ধারণ, ন্যায্য মজুরি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। যদিও এখনও সব ক্ষেত্রে সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবুও মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের ন্যায়সংগত দাবির অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের অবদানকে দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

সরকার শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, সমান মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করে যাচ্ছে বলেও বাণীতে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও শ্রমিকদের ঘামেই এগিয়ে চলছে অর্থনীতি। তাই তাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত—এটাই মে দিবসের মূল বার্তা।