ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি তাহসিফের, নিশ্চিত করল পিবিআই পম্পেইয়ের আলমারিতে সুগন্ধির শিশি ও শিশুর গলার হার শিক্ষার্থীরা রাতে ঘরের বাইরে আড্ডা দিলে গ্রেপ্তার করবে পুলিশ: চট্টগ্রামের ডিআইজি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পর জার্মানির একাধিক শহরে সহিংসতা পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করল সরকার মসজিদকে একটি ‘জীবন্ত প্রতিষ্ঠান’ করবেন যেভাবে সত্যিই কি সব মৌলিক সংখ্যা 6k ± 1 আকারের? প্রমাণ কী? মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: কোথায় সম্ভাবনা, কোথায় পরীক্ষা ইরানে হামলার হুমকি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে রক্ষা পেয়েছে তিন হাজার গাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাছ না কেটে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে রক্ষা পেয়েছে প্রায় তিন হাজার গাছ।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে।

গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী রবিউল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব সরেজমিন পরিদর্শন করেন মেরিন ড্রাইভ এলাকা। তারা একটি গাছও না কেটে সড়ক প্রশস্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তিন হাজার গাছ না কেটে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটতে হবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

অতীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কাটার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বর্তমান উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, শুধু বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণই নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটকবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণকাজ মূলত সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের তত্ত্বাবধানে হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় রয়েছে সড়ক প্রশস্তকরণ, রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ দুই লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ। ২০২৬ সালের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে রক্ষা পেয়েছে তিন হাজার গাছ

আপডেট সময় : ০১:০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাছ না কেটে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে রক্ষা পেয়েছে প্রায় তিন হাজার গাছ।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে।

গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী রবিউল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব সরেজমিন পরিদর্শন করেন মেরিন ড্রাইভ এলাকা। তারা একটি গাছও না কেটে সড়ক প্রশস্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তিন হাজার গাছ না কেটে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কক্সবাজারের কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটতে হবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

অতীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কাটার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বর্তমান উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, শুধু বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণই নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটকবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণকাজ মূলত সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের তত্ত্বাবধানে হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় রয়েছে সড়ক প্রশস্তকরণ, রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ দুই লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ। ২০২৬ সালের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।