ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চড়া দামের আপেল শুধু সরকার পরিবর্তনে কিংবা গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের মৌলিক সমস্যার সমাধান হয় না ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ–সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৫ শতাধিক আজ টিভিতে যা দেখবেন (১ নভেম্বর ২০২৬) ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, কী নির্দেশ দিলেন নিউমার্কেটের সামনে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান, বসানো হলো গাছের চারা ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ, ভাঙচুর বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত ছেলে বেঁচে নেই, এইচএসসির ফল দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাবা

শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে শিগগিরই নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন যৌথ সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে আয়োজিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং অচিরেই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক মানোন্নয়নের বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সেই আলোচনার ভিত্তিতে দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ প্রায় পাঁচশ হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে। খুব শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে টিকার কোনো সংকট নেই। আগামী ছয় মাস পর্যন্ত পর্যাপ্ত টিকা মজুদ রয়েছে এবং নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় টিকার মজুদ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগে যেখানে প্রতি চার বছর পরপর টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হতো, সেখানে এখন সরকার নিয়মিতভাবে সারাদেশে প্রতিদিন টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০২০ সালের পর বন্ধ হয়ে থাকা সেই কার্যক্রম নতুনভাবে চালু করে টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্য খাতে আরও নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে শিগগিরই নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন যৌথ সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে আয়োজিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং অচিরেই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক মানোন্নয়নের বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সেই আলোচনার ভিত্তিতে দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ প্রায় পাঁচশ হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে। খুব শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে টিকার কোনো সংকট নেই। আগামী ছয় মাস পর্যন্ত পর্যাপ্ত টিকা মজুদ রয়েছে এবং নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় টিকার মজুদ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগে যেখানে প্রতি চার বছর পরপর টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হতো, সেখানে এখন সরকার নিয়মিতভাবে সারাদেশে প্রতিদিন টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০২০ সালের পর বন্ধ হয়ে থাকা সেই কার্যক্রম নতুনভাবে চালু করে টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্য খাতে আরও নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে।