ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

চড়া দামের আপেল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমার বন্ধুরা খুবই অদ্ভুত, মানে এরা একটু অন্য জাতের। মানুষের বন্ধুরা যখন এদিক–সেদিক ট্যুরে যায় বা নামীদামি রেস্তোরাঁয় খেতে যায়, এরা তখন চায়ের বিলটা আজকে কে দেবে না, সেই ধান্দায় ব্যস্ত।

হঠাৎ এ কথা বলার কারণ আছে। সেদিন আমার সঙ্গে খুবই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। মানে শেষ কবে এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে, আমার মনে নেই। আমার বন্ধু নিয়াজ আমাকে ফোন করে বলল, ওর নাকি শরীর–মন কোনোটাই ভালো নেই, আমি বললাম, তো ডাক্তার দেখা।

—দেখালাম তো, কিন্তু ডাক্তার খুব এক্সপেনসিভ প্রেসক্রিপশন দিয়েছে। আমার সাধ্যের বাইরে।

—কী এমন ওষুধ দিল যেটা সাধ্যের বাইরে?

—কিছু না, বাদ দে। লাবণ্য কিন্তু কাল সবাইকে ডেকেছে, খুব জরুরি নাকি! চলে আসিস, তখন বাকি কথা খুলে বলব।

আমিও আর ঘাঁটালাম না। কিন্তু পরদিন নিয়াজই মিটিংয়ে ছিল না। লাবণ্য তো রেগে আগুন!

—একটা অনুরোধই তো করেছিলাম, আজ যেন সবাই থাকে। ওর কত বড় সাহস যে আমি ডাকার পরও এল না, হ্যাঁ!

আমি মাথা ঠান্ডা করতে বললাম, কিন্তু খুব একটা লাভ হলো বলে মনে হলো না। আমি নিয়াজকে একফাঁকে ফোন করলাম।

—কী রে, তুই কই? আমাকে আসতে বলে নিজেই আসলি না কেন?

—আর বলিস না, দোস্ত; ডাক্তারের কথামতো আপেল কিনতে গিয়েছিলাম, কত কষ্ট করে অতগুলো টাকা জমিয়ে আপেল কিনলাম, এভাবে ছিনতাই করবে!

—কী বলিস! অ্যাপেলের ফোন কেনার এত টাকা কোথায় পেলি? আর ডাক্তার তোকে ফোন কেন কিনতে বলবে? কী আজব!

.

আরে হ্যাঁ রে, বাপ! তোকে তো কালই বললাম, ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। ডাক্তার বলল, আমার নাকি ভিটামিন আর কিসের কিসের যেন অভাব। প্রতিদিন একটা আপেল খাওয়া দরকার। ওই জন্যই তো আজ…

.

কথা শেষ হওয়ার আগেই ফোনটা কেটে গেল। লাবণ্যকে এসে জানালাম বিষয়টা। দেরি না করে নিয়াজের বাসার দিকে রওনা দিলাম।

নিয়াজের বাসায় ঢুকতেই দেখি, আন্টি-আঙ্কেল আর ওর ছোট বোন, সবাই মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। যা বুঝলাম, পরিস্থিতি গুরুতর! আমাদের দেখে আঙ্কেল আরেক দফায় চেঁচামেচি শুরু করলেন।

‘এত কেয়ারলেস কেউ কেন হবে, তোমরাই বলো? ও কি কোনো দিন বড় হবে না? এতগুলো টাকার জিনিস, এভাবে ছিনতাইকারীকে দিয়ে আসবে?

আমি আর লাবণ্য একটু বোঝানোর চেষ্টা করলাম।

‘আঙ্কেল, ও তো আর ইচ্ছা করে করেনি, অঘটনের ওপর তো আর কারও হাত নেই। —চুপ করো! তোমাদের কথায় আমাকে ভোলাতে পারবে না। এতগুলা টাকা! কে দেবে এর খেসারত?

লাবণ্য আমাকে ইশারায় এখান থেকে কেটে পড়তে বলল। উঠে দুজন নিয়াজের ঘরে গেলাম। গিয়ে দেখি, ও বাংলা সিনেমার নায়িকার মতো বালিশে মুখ গুঁজে শুয়ে আছে। পাশে একটা নীল রঙের পলিথিন।

আজকাল নীল পলিথিনে আইফোন দেয় নাকি?

লাবণ্য একটু হেসে ফেলল।

নিয়াজ মাথা তুলে বলল, ‘দেখ, মন-মেজাজ ভালো না। এতক্ষণ বাপের ঝাড়ি খেয়ে মাথা আরও গরম। এসব ফাইজলামি ভাল্লাগছে না।’

.

—আচ্ছা, তুই আমাকে বল, যে ছেলে চায়ের বিল দেয় না একবেলা, তার হঠাৎ আইফোন কেনার শখ কেন হলো?

—কি তখন থেকে আইফোন–আইফোন করছিস?

লাবণ্য ওর মাথায় একটা চাটি মেরে বলল, ‘বাবা রে বাবা, ও আইফোন হারাতে পারবে, আর আমরা বলতে পারব না!’

—আমি বুঝতেসি না তোদের কোনো কথা, আইফোন আমি কোথায় পাব? আমার আইফোন থাকলে না আইফোন হারাব, ছিনতাই তো হলো আপেল।

আমি আর লাবণ্য দুজনই এখন ভয়ংকর কনফিউজড। কেউ কেন আপেলের ফোন চুরি না করে আপেল মানে ফল ছিনতাই করবে?

—তার মানে তুই আজ আপেল মানে ফল কিনতে গিয়েছিলি সকালে? আর সেটা একটা লোক এসে ছিনতাই করে নিয়ে গেছে? এগুলো কেমন যা–তা ঘটনা?

—আরে হ্যাঁ রে, বাপ! তোকে তো কালই বললাম, ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। ডাক্তার বলল, আমার নাকি ভিটামিন আর কিসের কিসের যেন অভাব। প্রতিদিন একটা আপেল খাওয়া দরকার। ওই জন্যই তো আজ…

.

আর যা–ই হোক, এই ইনফ্ল্যাশনে ওনার কাউকে আপেল খেতে বলা একদমই ঠিক হয়নি, একটা অ্যাপেলের ফোন কিনতে বললেও ভেবে দেখা যেত।

.

লাবণ্য মাথা চুলকাতে চুলকাতে জিজ্ঞাসা করল, ‘দাঁড়া, দাঁড়া! আমার হিসাব মিলছে না।’

আমি বললাম, ‘ফল কেন ছিনতাই করবে কেউ? আর ছিনতাই করলেও এটা নিয়ে এত মন খারাপের কী আছে? কয়েকটা আপেলই তো!’

নিয়াজ চিৎকার করে উঠল, ‘কয়েকটা আপেল? তুই আপেলের দাম জানিস? দুই দিন পর তো সোনার দোকানে সোনা বাদ দিয়ে আপেল বেচবে সবাই।’

—কয় টাকাই বা দাম?

—কেজি ৪০০ টাকা, আমি বড়লোকি দেখাতে গিয়ে ৮০০ টাকা দিয়ে ৮টা আপেল কিনেছিলাম।

—তারপর?

.

—দোকান থেকে বের হওয়ার পরই মনে হচ্ছিল, কেউ আমাকে ফলো করছে। আমিও তাড়াতাড়ি হাঁটতে শুরু করলাম। কিন্তু তারপরই ব্যাটা এসে আমার সামনে ছুরি ধরল!

—কী সাংঘাতিক!

—তারপর ছোঁ মেরে আমার হাত থেকে প্যাকেটটা নিয়ে গেল। পরে আড়ংয়ের কাপড়ের ব্যাগে করে সযত্ন আপেলগুলা রেখে এই নীল পলিথিন হাতে ধরিয়ে দিয়ে ব্যাটা পগারপার!

ঘটনা শুনে সত্যি খুব খারাপ লাগল। নিয়াজকে সান্ত্বনা দিয়ে আমরা চুপচাপ বেরিয়ে পড়লাম। ওর তো কোনো দোষ নেই।

সব দোষ আসলে ডাক্তারের। আর যা–ই হোক, এই ইনফ্ল্যাশনে ওনার কাউকে আপেল খেতে বলা একদমই ঠিক হয়নি, একটা অ্যাপেলের ফোন কিনতে বললেও ভেবে দেখা যেত।

.ডলারের আশায় ই-টিন! .আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?.উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল.বেরেক কাম করে না!.সিনেপ্লেক্সে একদিন .সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া .আরও যা যা ফাঁস হতে পারে.আমি ভুল করিনি.চাঁদ দখল.বন্ধু ফার্মেসি.ডাব সমাচার.Lieসেন্স

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

চড়া দামের আপেল

আপডেট সময় : ০৭:২০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

আমার বন্ধুরা খুবই অদ্ভুত, মানে এরা একটু অন্য জাতের। মানুষের বন্ধুরা যখন এদিক–সেদিক ট্যুরে যায় বা নামীদামি রেস্তোরাঁয় খেতে যায়, এরা তখন চায়ের বিলটা আজকে কে দেবে না, সেই ধান্দায় ব্যস্ত।

হঠাৎ এ কথা বলার কারণ আছে। সেদিন আমার সঙ্গে খুবই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। মানে শেষ কবে এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে, আমার মনে নেই। আমার বন্ধু নিয়াজ আমাকে ফোন করে বলল, ওর নাকি শরীর–মন কোনোটাই ভালো নেই, আমি বললাম, তো ডাক্তার দেখা।

—দেখালাম তো, কিন্তু ডাক্তার খুব এক্সপেনসিভ প্রেসক্রিপশন দিয়েছে। আমার সাধ্যের বাইরে।

—কী এমন ওষুধ দিল যেটা সাধ্যের বাইরে?

—কিছু না, বাদ দে। লাবণ্য কিন্তু কাল সবাইকে ডেকেছে, খুব জরুরি নাকি! চলে আসিস, তখন বাকি কথা খুলে বলব।

আমিও আর ঘাঁটালাম না। কিন্তু পরদিন নিয়াজই মিটিংয়ে ছিল না। লাবণ্য তো রেগে আগুন!

—একটা অনুরোধই তো করেছিলাম, আজ যেন সবাই থাকে। ওর কত বড় সাহস যে আমি ডাকার পরও এল না, হ্যাঁ!

আমি মাথা ঠান্ডা করতে বললাম, কিন্তু খুব একটা লাভ হলো বলে মনে হলো না। আমি নিয়াজকে একফাঁকে ফোন করলাম।

—কী রে, তুই কই? আমাকে আসতে বলে নিজেই আসলি না কেন?

—আর বলিস না, দোস্ত; ডাক্তারের কথামতো আপেল কিনতে গিয়েছিলাম, কত কষ্ট করে অতগুলো টাকা জমিয়ে আপেল কিনলাম, এভাবে ছিনতাই করবে!

—কী বলিস! অ্যাপেলের ফোন কেনার এত টাকা কোথায় পেলি? আর ডাক্তার তোকে ফোন কেন কিনতে বলবে? কী আজব!

.

আরে হ্যাঁ রে, বাপ! তোকে তো কালই বললাম, ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। ডাক্তার বলল, আমার নাকি ভিটামিন আর কিসের কিসের যেন অভাব। প্রতিদিন একটা আপেল খাওয়া দরকার। ওই জন্যই তো আজ…

.

কথা শেষ হওয়ার আগেই ফোনটা কেটে গেল। লাবণ্যকে এসে জানালাম বিষয়টা। দেরি না করে নিয়াজের বাসার দিকে রওনা দিলাম।

নিয়াজের বাসায় ঢুকতেই দেখি, আন্টি-আঙ্কেল আর ওর ছোট বোন, সবাই মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। যা বুঝলাম, পরিস্থিতি গুরুতর! আমাদের দেখে আঙ্কেল আরেক দফায় চেঁচামেচি শুরু করলেন।

‘এত কেয়ারলেস কেউ কেন হবে, তোমরাই বলো? ও কি কোনো দিন বড় হবে না? এতগুলো টাকার জিনিস, এভাবে ছিনতাইকারীকে দিয়ে আসবে?

আমি আর লাবণ্য একটু বোঝানোর চেষ্টা করলাম।

‘আঙ্কেল, ও তো আর ইচ্ছা করে করেনি, অঘটনের ওপর তো আর কারও হাত নেই। —চুপ করো! তোমাদের কথায় আমাকে ভোলাতে পারবে না। এতগুলা টাকা! কে দেবে এর খেসারত?

লাবণ্য আমাকে ইশারায় এখান থেকে কেটে পড়তে বলল। উঠে দুজন নিয়াজের ঘরে গেলাম। গিয়ে দেখি, ও বাংলা সিনেমার নায়িকার মতো বালিশে মুখ গুঁজে শুয়ে আছে। পাশে একটা নীল রঙের পলিথিন।

আজকাল নীল পলিথিনে আইফোন দেয় নাকি?

লাবণ্য একটু হেসে ফেলল।

নিয়াজ মাথা তুলে বলল, ‘দেখ, মন-মেজাজ ভালো না। এতক্ষণ বাপের ঝাড়ি খেয়ে মাথা আরও গরম। এসব ফাইজলামি ভাল্লাগছে না।’

.

—আচ্ছা, তুই আমাকে বল, যে ছেলে চায়ের বিল দেয় না একবেলা, তার হঠাৎ আইফোন কেনার শখ কেন হলো?

—কি তখন থেকে আইফোন–আইফোন করছিস?

লাবণ্য ওর মাথায় একটা চাটি মেরে বলল, ‘বাবা রে বাবা, ও আইফোন হারাতে পারবে, আর আমরা বলতে পারব না!’

—আমি বুঝতেসি না তোদের কোনো কথা, আইফোন আমি কোথায় পাব? আমার আইফোন থাকলে না আইফোন হারাব, ছিনতাই তো হলো আপেল।

আমি আর লাবণ্য দুজনই এখন ভয়ংকর কনফিউজড। কেউ কেন আপেলের ফোন চুরি না করে আপেল মানে ফল ছিনতাই করবে?

—তার মানে তুই আজ আপেল মানে ফল কিনতে গিয়েছিলি সকালে? আর সেটা একটা লোক এসে ছিনতাই করে নিয়ে গেছে? এগুলো কেমন যা–তা ঘটনা?

—আরে হ্যাঁ রে, বাপ! তোকে তো কালই বললাম, ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। ডাক্তার বলল, আমার নাকি ভিটামিন আর কিসের কিসের যেন অভাব। প্রতিদিন একটা আপেল খাওয়া দরকার। ওই জন্যই তো আজ…

.

আর যা–ই হোক, এই ইনফ্ল্যাশনে ওনার কাউকে আপেল খেতে বলা একদমই ঠিক হয়নি, একটা অ্যাপেলের ফোন কিনতে বললেও ভেবে দেখা যেত।

.

লাবণ্য মাথা চুলকাতে চুলকাতে জিজ্ঞাসা করল, ‘দাঁড়া, দাঁড়া! আমার হিসাব মিলছে না।’

আমি বললাম, ‘ফল কেন ছিনতাই করবে কেউ? আর ছিনতাই করলেও এটা নিয়ে এত মন খারাপের কী আছে? কয়েকটা আপেলই তো!’

নিয়াজ চিৎকার করে উঠল, ‘কয়েকটা আপেল? তুই আপেলের দাম জানিস? দুই দিন পর তো সোনার দোকানে সোনা বাদ দিয়ে আপেল বেচবে সবাই।’

—কয় টাকাই বা দাম?

—কেজি ৪০০ টাকা, আমি বড়লোকি দেখাতে গিয়ে ৮০০ টাকা দিয়ে ৮টা আপেল কিনেছিলাম।

—তারপর?

.

—দোকান থেকে বের হওয়ার পরই মনে হচ্ছিল, কেউ আমাকে ফলো করছে। আমিও তাড়াতাড়ি হাঁটতে শুরু করলাম। কিন্তু তারপরই ব্যাটা এসে আমার সামনে ছুরি ধরল!

—কী সাংঘাতিক!

—তারপর ছোঁ মেরে আমার হাত থেকে প্যাকেটটা নিয়ে গেল। পরে আড়ংয়ের কাপড়ের ব্যাগে করে সযত্ন আপেলগুলা রেখে এই নীল পলিথিন হাতে ধরিয়ে দিয়ে ব্যাটা পগারপার!

ঘটনা শুনে সত্যি খুব খারাপ লাগল। নিয়াজকে সান্ত্বনা দিয়ে আমরা চুপচাপ বেরিয়ে পড়লাম। ওর তো কোনো দোষ নেই।

সব দোষ আসলে ডাক্তারের। আর যা–ই হোক, এই ইনফ্ল্যাশনে ওনার কাউকে আপেল খেতে বলা একদমই ঠিক হয়নি, একটা অ্যাপেলের ফোন কিনতে বললেও ভেবে দেখা যেত।

.ডলারের আশায় ই-টিন! .আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?.উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল.বেরেক কাম করে না!.সিনেপ্লেক্সে একদিন .সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া .আরও যা যা ফাঁস হতে পারে.আমি ভুল করিনি.চাঁদ দখল.বন্ধু ফার্মেসি.ডাব সমাচার.Lieসেন্স