ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নীলফামারীতে ৪টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীদের জয়, উন্নয়নের নতুন প্রত্যাশা সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ের পর ভিপি আয়নুল হকের দোয়া ও শুভেচ্ছা বার্তা ডোমার–ডিমলায় বৈষম্যহীন উন্নয়নের অঙ্গীকার: নবনির্বাচিত এম পি আব্দুস সাত্তার চট্টগ্রাম ১৫ এর মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী ৪৫হাজার ৩৬ ভোটে এগিয়ে সকাল ৭ টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ঘোষণায় কোন দল কত আসন পেয়েছেন  গোপালগঞ্জ-১ আসনে সেলিমুজ্জামান সেলিম বিজয়ী গোপালগঞ্জে প্রথমবারের মতো তিন আসনে ধানের শীষের জয় সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আয়নুল হক  গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হলেন জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান নীলফামারী-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভাইভা প্রার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও বিষয়ভিত্তিক দিকনির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আলমগীর হোসেন: চাকরিতে নিয়োগ বা ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বা মৌখিক পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিকভাবে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করলেও নিয়োগের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হয় ভাইভা বোর্ডে নিজেকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে বিচলিত না হয়ে ধীরস্থিরভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। নিজের সম্পর্কে কখনো হীন বা নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা যাবে না। সব সময় ইতিবাচকভাবে ভাবতে ও বলতে হবে। সর্বোপরি একটি মানানসই ও সফল ভাইভা দিতে হলে যেমন প্রয়োজন সার্টিফিকেট ও পোশাকের পরিচ্ছন্নতা, কথাবার্তায় দৃঢ়তা, সফল হওয়ার মনোভাব, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাস, তেমনি প্রয়োজন গোছানো প্রস্তুতি।

২০২৬ সালের প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নফাঁস ও ডিভাইস ব্যবহার নিয়ে বেশ আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে। ইতোমধ্যে আটক অনেক ডিভাইস ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ফলে এবারের ভাইভা সহজ হবে না। ধারণা করা হচ্ছে, বিগত ভাইভাগুলোর তুলনায় এবার ভাইভা হবে বেশি কঠিন ও বুদ্ধিবৃত্তিক। ভাইভায় ফেল করার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও এবার তা বাড়তে পারে। কারণ একজন পদের বিপরীতে পাঁচজনের বেশি প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। এখানেই চাকরি চূড়ান্ত করার চ্যালেঞ্জ সবচেয়ে বেশি।

ভাইভায় যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে রাখতে হবে এবং গেজেট কর্মকর্তা কর্তৃক অন্তত তিন সেট সত্যায়িত করে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

ভাইভায় সাধারণত সহজ, বেসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্ন করা হয়। এবার বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্নের পরিমাণ বেশি হতে পারে। তবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়ে প্রস্তুতি থাকলে ভাইভা আপনার জন্য অনেক সহজ হবে, ইনশাআল্লাহ।

প্রথমেই নিজের জেলা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। যেমন জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, উৎপাদিত ফসল, স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জুলাই যোদ্ধা, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও প্রশাসনিক কাঠামো। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা জরুরি। পাশাপাশি নিজের অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের পঠিত বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ ও কমন তথ্যগুলো ঝালিয়ে নিতে হবে।

বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হলেও আমরা অনেক সময় এটিকে অবহেলা করি। অথচ ভাগ্য সহায় হলে বাংলা ভাইভা বোর্ডে বড় সহায়ক হতে পারে। তাই ভাষার ইতিহাস, ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, সমাস, কারক, বাগধারা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়তে হবে। সাহিত্য অংশে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লব সংশ্লিষ্ট গ্রন্থ, চলচ্চিত্র, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং সাহিত্যের ইতিহাস জানা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রথম সারির ৮ থেকে ১০ জন বিখ্যাত লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনী পড়লেই বাংলা বিষয়ে প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হবে।

ইংরেজি একটি বিদেশি ভাষা হওয়ায় অনেকের ভীতি কাজ করে। তাই ভাইভা বোর্ড সাধারণত ইংরেজিতে খুব গভীর প্রশ্ন করে না। যেসব বিষয়ে দক্ষতা থাকা প্রয়োজন সেগুলো হলো বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ, Parts of Speech, Tense, Voice, Sentence, কিছু গুরুত্বপূর্ণ Synonyms ও Proverbs।

গণিতের ভয় প্রায় সবার মধ্যেই আছে। তবে কৌশল জানা থাকলে গণিতে ভালো করা তুলনামূলক সহজ। বর্তমানে চাকরিপ্রত্যাশীরা এ বিষয়ে অনেক সচেতন। ভাইভা বোর্ডে সাধারণত পাঠ্য গণিত ও বীজগণিতের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র, বাস্তব সংখ্যা, মৌলিক সংখ্যা, ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম সংখ্যা, লসাগু, গসাগু, ভগ্নাংশ ইত্যাদি প্রশ্ন করা হয়। জ্যামিতি অংশে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও বৃত্ত ভালোভাবে পড়া প্রয়োজন।

সাধারণ জ্ঞান বিষয়টি বিস্তৃত হলেও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পড়লে ভালো ফল করা সম্ভব। সবকিছু বিস্তারিত পড়ার প্রয়োজন নেই। গুরুত্বপূর্ণ ও শর্টকাট বিষয়গুলো আগে পড়তে হবে। যেমন ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, ক্রিকেট, ফুটবল, কৃষি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, গণভোট ও নির্বাচন।

অনেক সময় দেখা যায়, ভালো প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রার্থীরা ভাইভায় কাঙ্ক্ষিত উত্তর দিতে পারেন না। এর প্রধান কারণ ভয়, জড়তা ও অতিরিক্ত পাণ্ডিত্য দেখানোর চেষ্টা। বিনয় ও সাবলীলতার সঙ্গে ভাইভা বোর্ড পরিচালনা করতে পারলে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন সম্ভব। এবার লিখিত পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়া সত্ত্বেও অনেকে ভাইভায় ফেল করতে পারেন, আবার তুলনামূলক কম নম্বর পেয়েও কেউ কেউ সফল হতে পারেন। তাই সবার জন্য শুভকামনা।

মোঃ আলমগীর হোসেন
সহকারী শিক্ষক
পুটিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
কাপাসিয়া, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভাইভা প্রার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও বিষয়ভিত্তিক দিকনির্দেশনা

আপডেট সময় : ১১:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ আলমগীর হোসেন: চাকরিতে নিয়োগ বা ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বা মৌখিক পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিকভাবে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করলেও নিয়োগের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হয় ভাইভা বোর্ডে নিজেকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে বিচলিত না হয়ে ধীরস্থিরভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। নিজের সম্পর্কে কখনো হীন বা নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা যাবে না। সব সময় ইতিবাচকভাবে ভাবতে ও বলতে হবে। সর্বোপরি একটি মানানসই ও সফল ভাইভা দিতে হলে যেমন প্রয়োজন সার্টিফিকেট ও পোশাকের পরিচ্ছন্নতা, কথাবার্তায় দৃঢ়তা, সফল হওয়ার মনোভাব, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাস, তেমনি প্রয়োজন গোছানো প্রস্তুতি।

২০২৬ সালের প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নফাঁস ও ডিভাইস ব্যবহার নিয়ে বেশ আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে। ইতোমধ্যে আটক অনেক ডিভাইস ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ফলে এবারের ভাইভা সহজ হবে না। ধারণা করা হচ্ছে, বিগত ভাইভাগুলোর তুলনায় এবার ভাইভা হবে বেশি কঠিন ও বুদ্ধিবৃত্তিক। ভাইভায় ফেল করার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও এবার তা বাড়তে পারে। কারণ একজন পদের বিপরীতে পাঁচজনের বেশি প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। এখানেই চাকরি চূড়ান্ত করার চ্যালেঞ্জ সবচেয়ে বেশি।

ভাইভায় যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে রাখতে হবে এবং গেজেট কর্মকর্তা কর্তৃক অন্তত তিন সেট সত্যায়িত করে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

ভাইভায় সাধারণত সহজ, বেসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্ন করা হয়। এবার বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্নের পরিমাণ বেশি হতে পারে। তবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়ে প্রস্তুতি থাকলে ভাইভা আপনার জন্য অনেক সহজ হবে, ইনশাআল্লাহ।

প্রথমেই নিজের জেলা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। যেমন জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, উৎপাদিত ফসল, স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জুলাই যোদ্ধা, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও প্রশাসনিক কাঠামো। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা জরুরি। পাশাপাশি নিজের অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের পঠিত বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ ও কমন তথ্যগুলো ঝালিয়ে নিতে হবে।

বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হলেও আমরা অনেক সময় এটিকে অবহেলা করি। অথচ ভাগ্য সহায় হলে বাংলা ভাইভা বোর্ডে বড় সহায়ক হতে পারে। তাই ভাষার ইতিহাস, ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, সমাস, কারক, বাগধারা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়তে হবে। সাহিত্য অংশে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লব সংশ্লিষ্ট গ্রন্থ, চলচ্চিত্র, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং সাহিত্যের ইতিহাস জানা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রথম সারির ৮ থেকে ১০ জন বিখ্যাত লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনী পড়লেই বাংলা বিষয়ে প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হবে।

ইংরেজি একটি বিদেশি ভাষা হওয়ায় অনেকের ভীতি কাজ করে। তাই ভাইভা বোর্ড সাধারণত ইংরেজিতে খুব গভীর প্রশ্ন করে না। যেসব বিষয়ে দক্ষতা থাকা প্রয়োজন সেগুলো হলো বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ, Parts of Speech, Tense, Voice, Sentence, কিছু গুরুত্বপূর্ণ Synonyms ও Proverbs।

গণিতের ভয় প্রায় সবার মধ্যেই আছে। তবে কৌশল জানা থাকলে গণিতে ভালো করা তুলনামূলক সহজ। বর্তমানে চাকরিপ্রত্যাশীরা এ বিষয়ে অনেক সচেতন। ভাইভা বোর্ডে সাধারণত পাঠ্য গণিত ও বীজগণিতের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র, বাস্তব সংখ্যা, মৌলিক সংখ্যা, ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম সংখ্যা, লসাগু, গসাগু, ভগ্নাংশ ইত্যাদি প্রশ্ন করা হয়। জ্যামিতি অংশে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও বৃত্ত ভালোভাবে পড়া প্রয়োজন।

সাধারণ জ্ঞান বিষয়টি বিস্তৃত হলেও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পড়লে ভালো ফল করা সম্ভব। সবকিছু বিস্তারিত পড়ার প্রয়োজন নেই। গুরুত্বপূর্ণ ও শর্টকাট বিষয়গুলো আগে পড়তে হবে। যেমন ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, ক্রিকেট, ফুটবল, কৃষি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, গণভোট ও নির্বাচন।

অনেক সময় দেখা যায়, ভালো প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রার্থীরা ভাইভায় কাঙ্ক্ষিত উত্তর দিতে পারেন না। এর প্রধান কারণ ভয়, জড়তা ও অতিরিক্ত পাণ্ডিত্য দেখানোর চেষ্টা। বিনয় ও সাবলীলতার সঙ্গে ভাইভা বোর্ড পরিচালনা করতে পারলে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন সম্ভব। এবার লিখিত পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়া সত্ত্বেও অনেকে ভাইভায় ফেল করতে পারেন, আবার তুলনামূলক কম নম্বর পেয়েও কেউ কেউ সফল হতে পারেন। তাই সবার জন্য শুভকামনা।

মোঃ আলমগীর হোসেন
সহকারী শিক্ষক
পুটিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
কাপাসিয়া, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।