ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেলে বসে ঋণ শোধ সহজ নয়: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপি নেতারা গত ১৭ বছর কোনো ব্যবসা করতে পারেননি বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি নেতাদের ঋণখেলাপির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির কোনো ব্যবসায়ী স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেননি। তাদের অনুমোদিত ঋণ দেওয়া হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠানের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির অনেক সংসদ সদস্যকে ঋণখেলাপি বলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন পালিয়ে ছিলেন কিংবা কারাগারে ছিলেন। জেলে বসে ঋণ শোধ করা সহজ নয়। সে কারণে পুনঃতফসিলীকরণের মাধ্যমে তাদের ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যা ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অনেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ব্যাংক রয়েছে। কিন্তু বিএনপির কোনো ব্যাংক নেই। যেসব দলের ব্যাংক আছে, সেখানে নিজেদের পছন্দের লোক বসানো হয় এবং নিজেদের লোকদের সুবিধা দেওয়া হয়। ফলে তাদের দলের লোকজনের ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ কম থাকে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনগণ দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনও বিএনপিকে দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি একটি প্রতিষ্ঠান, কোনো ব্যক্তি নয়। তাই এই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

জেলে বসে ঋণ শোধ সহজ নয়: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৫১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বিএনপি নেতারা গত ১৭ বছর কোনো ব্যবসা করতে পারেননি বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি নেতাদের ঋণখেলাপির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির কোনো ব্যবসায়ী স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেননি। তাদের অনুমোদিত ঋণ দেওয়া হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠানের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির অনেক সংসদ সদস্যকে ঋণখেলাপি বলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন পালিয়ে ছিলেন কিংবা কারাগারে ছিলেন। জেলে বসে ঋণ শোধ করা সহজ নয়। সে কারণে পুনঃতফসিলীকরণের মাধ্যমে তাদের ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যা ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অনেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ব্যাংক রয়েছে। কিন্তু বিএনপির কোনো ব্যাংক নেই। যেসব দলের ব্যাংক আছে, সেখানে নিজেদের পছন্দের লোক বসানো হয় এবং নিজেদের লোকদের সুবিধা দেওয়া হয়। ফলে তাদের দলের লোকজনের ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ কম থাকে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনগণ দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনও বিএনপিকে দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি একটি প্রতিষ্ঠান, কোনো ব্যক্তি নয়। তাই এই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।