মস্কোর পার্কে হামলার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার পর কিশোরকে আটক করল রাশিয়া
- আপডেট সময় : ০৬:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর একটি জনপ্রিয় পার্কে হামলার পরিকল্পনার সন্দেহে এক কিশোরকে আটক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সতর্কবার্তা পাওয়ার পর তাকে আটক করা হয়। রাশিয়ার বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স দেশটির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এফএসবি) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
গতকাল রোববার ইন্টারফ্যাক্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহভাজন ওই কিশোর রাশিয়ার নাগরিক। এফএসবির ভাষ্য অনুযায়ী, সে টিকটকে মুখোশ ও সামরিক কায়দার পোশাক পরা অবস্থায় কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছিল। ছবিতে তার হাতে একটি অস্ত্রও ছিল।
.
সন্দেহভাজন কিশোরের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। সে মস্কোর দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত সারিৎসিনো জাদুঘর প্রাঙ্গণের কয়েকটি ছবিও পোস্ট করেছিল। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছি।’
এফএসবি জানিয়েছে, কিশোরটির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ছবিতে দেখা পোশাক ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে সন্ত্রাসী হামলা ও ব্যাপক হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় খোঁজার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে একটি নব্য-নাৎসি চ্যানেল অনুসরণ করত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
.
এর আগে গত শনিবার মস্কোয় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে। এতে বলা হয়, সারিৎসিনো জাদুঘর প্রাঙ্গণে ‘বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটার বিশ্বাসযোগ্য আশঙ্কা’ রয়েছে। প্রাসাদ ও বিশাল উদ্যান নিয়ে গড়ে ওঠা এই স্থাপনাটি মস্কোর জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর একটি।
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস লোকজনকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়। একই সঙ্গে জানায়, পরিস্থিতি মোকাবিলায় রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে মার্কিন সরকার।
সতর্কবার্তা পাওয়ার পর শনিবার সাময়িকভাবে পার্কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
.
এফএসবি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তথ্য সরবরাহ করায় আমরা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কৃতজ্ঞ।’ সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন কিশোরের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বিবেচনা করছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি।
এর আগেও সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে রাশিয়াকে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৪ সালের মার্চে মস্কোর একটি কনসার্ট হলে হামলার কয়েক সপ্তাহ আগে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছিল ওয়াশিংটন। একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর চালানো ওই হামলায় ১৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
























