কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে সিলের অভিযোগ, পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত ও পুনরায় ভোটের দাবি
- আপডেট সময় : ০২:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে সিল মারার অভিযোগ এনে পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত এবং পুনরায় ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনার দাবি জানিয়েছেন গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহিম সরকার।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের কার্যালয় দারুল আমান ট্রাস্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহিম সরকার অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন গাইবান্ধা-৪ আসনের পাঁচটি কেন্দ্রে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ রাখেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেন। পরে কেন্দ্র দখল করে ধানের শীষ প্রতীকে ব্যালটে সিল মারা হয়।
তিনি বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি যে কেন্দ্রগুলোতে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন সেগুলো হলো, বালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালপুর ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমিরাভাঙ্গা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, কুমিরাভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোচাশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিংহজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
তার দাবি, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতেই এসব ঘটনা ঘটে। এছাড়া একটি কেন্দ্রে ১ হাজার ৮০০ ভোটের স্থলে ২ হাজার ৮০০ ভোট প্রদর্শনের অভিযোগ করেন তিনি। রেজাল্ট শিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর না থাকা এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১২০টি ভোটের বান্ডেলকে ১০০টি হিসেবে দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি।
আব্দুর রহিম সরকার বলেন, কেন্দ্র দখল ও ব্যালটে সিল মারার একাধিক ভিডিও ফুটেজ ও নথি তাদের কাছে রয়েছে। তিনি দখল হওয়া কেন্দ্রগুলোর ফলাফল স্থগিত করে পুনর্ভোট গ্রহণ এবং সব কেন্দ্রের ভোট পুনর্গণনার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-২ আসনের প্রার্থী আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৩ আসনের অধ্যাপক আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম লেবু, গাইবান্ধা-৫ আসনের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকার, জেলা শিবিরের সভাপতি ফেরদৌস সরকার প্রমুখ।














