ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নীলফামারীতে ৪টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীদের জয়, উন্নয়নের নতুন প্রত্যাশা সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ের পর ভিপি আয়নুল হকের দোয়া ও শুভেচ্ছা বার্তা ডোমার–ডিমলায় বৈষম্যহীন উন্নয়নের অঙ্গীকার: নবনির্বাচিত এম পি আব্দুস সাত্তার চট্টগ্রাম ১৫ এর মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী ৪৫হাজার ৩৬ ভোটে এগিয়ে সকাল ৭ টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ঘোষণায় কোন দল কত আসন পেয়েছেন  গোপালগঞ্জ-১ আসনে সেলিমুজ্জামান সেলিম বিজয়ী গোপালগঞ্জে প্রথমবারের মতো তিন আসনে ধানের শীষের জয় সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আয়নুল হক  গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হলেন জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান নীলফামারী-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

ভোট কিনতে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যাপকভাবে কালো টাকা ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে দুটি পদ্ধতিতে ভোট কেনার চেষ্টা চলছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

‎শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের খামার মনিরাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় তিনি এসব অভিযোগ করেন। সভায় দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

‎অধ্যাপক মাজেদুর রহমান বলেন, ‘এই নির্বাচনে ভোটারদের দুইভাবে কেনার চেষ্টা করা হচ্ছে। একটি পক্ষ কর্মী বানানোর নাম করে সাধারণ মানুষের হাতে টাকা তুলে দিচ্ছে, যাতে তারা নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে। আরেকটি পক্ষ সরাসরি ভোট কেনার উদ্দেশ্যে কালো টাকা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি সুন্দরগঞ্জের মানুষ এসব অপকৌশল সম্পর্কে সচেতন। এখানে কোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফল পাল্টানো যাবে না। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনো শক্তিই ঠেকাতে পারবে না।’

‎কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াত প্রার্থী জানান, আমরা মৌখিক ভাবে বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেছি। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি যে নির্বাচনী এলাকায় অবাধে কালো টাকা বিতরণ হচ্ছে। এখন প্রশাসন কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।’

একই সঙ্গে তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

‎কোন প্রার্থী কালো টাকা ছড়াচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা নির্দিষ্ট কারো নাম বলতে চাই না। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি একাধিক প্রার্থী তাদের কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে টাকা পৌঁছে দিচ্ছেন। এছাড়াও ডিজিটাল মাধ্যমেও তাদের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কালো টাকা ছড়িয়ে ভোটারদের বিভ্রান্তি রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

‎পথসভায় তিনি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘টাকা, ভয়ভীতি বা প্রলোভনের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা চাই ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক।’

‎সভায় উপস্থিত জামায়াতের অন্যান্য কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ করেন। তারা বলেন, একটি মহল অবৈধ অর্থ ব্যবহার করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা দ্রুত এসব অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ভোট কিনতে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

আপডেট সময় : ০৫:৪১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যাপকভাবে কালো টাকা ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে দুটি পদ্ধতিতে ভোট কেনার চেষ্টা চলছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

‎শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের খামার মনিরাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় তিনি এসব অভিযোগ করেন। সভায় দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

‎অধ্যাপক মাজেদুর রহমান বলেন, ‘এই নির্বাচনে ভোটারদের দুইভাবে কেনার চেষ্টা করা হচ্ছে। একটি পক্ষ কর্মী বানানোর নাম করে সাধারণ মানুষের হাতে টাকা তুলে দিচ্ছে, যাতে তারা নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে। আরেকটি পক্ষ সরাসরি ভোট কেনার উদ্দেশ্যে কালো টাকা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি সুন্দরগঞ্জের মানুষ এসব অপকৌশল সম্পর্কে সচেতন। এখানে কোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফল পাল্টানো যাবে না। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনো শক্তিই ঠেকাতে পারবে না।’

‎কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াত প্রার্থী জানান, আমরা মৌখিক ভাবে বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেছি। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি যে নির্বাচনী এলাকায় অবাধে কালো টাকা বিতরণ হচ্ছে। এখন প্রশাসন কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।’

একই সঙ্গে তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

‎কোন প্রার্থী কালো টাকা ছড়াচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা নির্দিষ্ট কারো নাম বলতে চাই না। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি একাধিক প্রার্থী তাদের কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে টাকা পৌঁছে দিচ্ছেন। এছাড়াও ডিজিটাল মাধ্যমেও তাদের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কালো টাকা ছড়িয়ে ভোটারদের বিভ্রান্তি রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

‎পথসভায় তিনি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘টাকা, ভয়ভীতি বা প্রলোভনের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা চাই ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক।’

‎সভায় উপস্থিত জামায়াতের অন্যান্য কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ করেন। তারা বলেন, একটি মহল অবৈধ অর্থ ব্যবহার করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা দ্রুত এসব অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।