ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নীলফামারীতে ৪টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীদের জয়, উন্নয়নের নতুন প্রত্যাশা সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ের পর ভিপি আয়নুল হকের দোয়া ও শুভেচ্ছা বার্তা ডোমার–ডিমলায় বৈষম্যহীন উন্নয়নের অঙ্গীকার: নবনির্বাচিত এম পি আব্দুস সাত্তার চট্টগ্রাম ১৫ এর মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী ৪৫হাজার ৩৬ ভোটে এগিয়ে সকাল ৭ টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ঘোষণায় কোন দল কত আসন পেয়েছেন  গোপালগঞ্জ-১ আসনে সেলিমুজ্জামান সেলিম বিজয়ী গোপালগঞ্জে প্রথমবারের মতো তিন আসনে ধানের শীষের জয় সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আয়নুল হক  গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হলেন জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান নীলফামারী-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

কারিগরি ও উচ্চতর শিক্ষার প্রসারে নবদিগন্ত : সিলেটে হচ্ছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

সিলেট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সিলেটে কারিগরি ও উচ্চতর টেক্সটাইল শিক্ষার প্রসার হতে যাচ্ছে। অবশেষে একনেকের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে ‘সিলেট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ এবং ‘সিলেট টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্প।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংশোধনীসহ মোট ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা।সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, “আগামী জুন বা ডিসেম্বর মাসের মধ্যে যেসব প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে, সেগুলো আবশ্যিকভাবে শেষ করতে হবে। নয়তো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বরাদ্দ বন্ধ হয়ে যাবে। এখন থেকে প্রতিটি প্রকল্প তিন মাস অন্তর মূল্যায়ন করা হবে।”

জানা যায়, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কুচাই ইউনিয়নে একই এলাকায় টেক্সটাইল শিক্ষা কমপ্লেক্স প্রকল্পটি নির্মিত হচ্ছে। এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি উচ্চশিক্ষার জন্য এবং ইনস্টিটিউটটি ডিপ্লোমা পর্যায়ের জন্য নির্ধারিত। প্রকল্প দুটির ভৌত অবকাঠামো প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও প্রশাসনিক ও প্রয়োজনীয় ব্যয় সংক্রান্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিলো। আজকের একনেক সভায় অনুমোদনের ফলে এ বছরের মধ্যেই এখানে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।সিলেট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) অধিভুক্ত হয়ে বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করবে। অন্যদিকে, ইনস্টিটিউট থেকে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

 সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই দুটি প্রতিষ্ঠান চালু হলে সিলেট অঞ্চলে দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ও কারিগরি জনবল তৈরি হবে, যা দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পে বড় ভূমিকা রাখবে।সিলেটের এই দুই প্রকল্প ছাড়াও একনেক সভায় নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যার বড় হাসপাতাল নির্মাণ, ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে বিভিন্ন সুরক্ষা প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, বৈদেশিক ঋণের ফাঁদ এড়াতে এখন থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ না করে জনগুরুত্বপূর্ণ ও বিনিয়োগমুখী প্রকল্পে গুরুত্ব দেওয়া হবে।সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় এই দুটি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত অনুমোদনের খবরে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

কারিগরি ও উচ্চতর শিক্ষার প্রসারে নবদিগন্ত : সিলেটে হচ্ছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সিলেটে কারিগরি ও উচ্চতর টেক্সটাইল শিক্ষার প্রসার হতে যাচ্ছে। অবশেষে একনেকের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে ‘সিলেট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ এবং ‘সিলেট টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্প।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংশোধনীসহ মোট ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা।সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, “আগামী জুন বা ডিসেম্বর মাসের মধ্যে যেসব প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে, সেগুলো আবশ্যিকভাবে শেষ করতে হবে। নয়তো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বরাদ্দ বন্ধ হয়ে যাবে। এখন থেকে প্রতিটি প্রকল্প তিন মাস অন্তর মূল্যায়ন করা হবে।”

জানা যায়, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কুচাই ইউনিয়নে একই এলাকায় টেক্সটাইল শিক্ষা কমপ্লেক্স প্রকল্পটি নির্মিত হচ্ছে। এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি উচ্চশিক্ষার জন্য এবং ইনস্টিটিউটটি ডিপ্লোমা পর্যায়ের জন্য নির্ধারিত। প্রকল্প দুটির ভৌত অবকাঠামো প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও প্রশাসনিক ও প্রয়োজনীয় ব্যয় সংক্রান্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিলো। আজকের একনেক সভায় অনুমোদনের ফলে এ বছরের মধ্যেই এখানে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।সিলেট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) অধিভুক্ত হয়ে বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করবে। অন্যদিকে, ইনস্টিটিউট থেকে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

 সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই দুটি প্রতিষ্ঠান চালু হলে সিলেট অঞ্চলে দক্ষ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ও কারিগরি জনবল তৈরি হবে, যা দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পে বড় ভূমিকা রাখবে।সিলেটের এই দুই প্রকল্প ছাড়াও একনেক সভায় নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যার বড় হাসপাতাল নির্মাণ, ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর ভাঙন রোধে বিভিন্ন সুরক্ষা প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, বৈদেশিক ঋণের ফাঁদ এড়াতে এখন থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ না করে জনগুরুত্বপূর্ণ ও বিনিয়োগমুখী প্রকল্পে গুরুত্ব দেওয়া হবে।সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় এই দুটি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত অনুমোদনের খবরে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।