ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নীলফামারীতে ৪টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীদের জয়, উন্নয়নের নতুন প্রত্যাশা সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ের পর ভিপি আয়নুল হকের দোয়া ও শুভেচ্ছা বার্তা ডোমার–ডিমলায় বৈষম্যহীন উন্নয়নের অঙ্গীকার: নবনির্বাচিত এম পি আব্দুস সাত্তার চট্টগ্রাম ১৫ এর মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী ৪৫হাজার ৩৬ ভোটে এগিয়ে সকাল ৭ টা পর্যন্ত প্রাপ্ত ঘোষণায় কোন দল কত আসন পেয়েছেন  গোপালগঞ্জ-১ আসনে সেলিমুজ্জামান সেলিম বিজয়ী গোপালগঞ্জে প্রথমবারের মতো তিন আসনে ধানের শীষের জয় সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আয়নুল হক  গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হলেন জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান নীলফামারী-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী

ওসমান হাদিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৭ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলিবিদ্ধের ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত ওই নেতার নাম আরাফাত হোসেন সোহাগ। তিনি চিলমারী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রমনা সরকার বাড়ী এলাকার মো. সুজা মিয়া ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাদিকে গুলিবিদ্ধের ঘটনার পরদিন ১৩ ও ১৫ ডিসেম্বর আরাফাত হোসেন সোহাগ নিজের ফেসবুক আইডি থেকে দুটি মন্তব্য করেন, যা অনেকেই কুরুচিপূর্ণ ও উসকানিমূলক বলে অভিযোগ তুলেছেন। স্ট্যাটাস দুটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুড়িগ্রাম জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুর রহমান পারভেজ প্রকাশ্যে সোহাগকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেন। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক ওয়ালে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন।

এ বিষয়ে আব্দুর রহমান পারভেজ বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মীর ওপর হামলার মতো স্পর্শকাতর ঘটনার পর কেউ যদি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে উসকানি দেয়, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সমাজে ভুল বার্তা ঠেকাতে এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আমরা তাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছি।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে সামাজিক প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখলেও, অনেকে মনে করছেন-ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কার ঘোষণা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক নেতা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব প্রশাসনের। এ ধরনের উদ্যোগ নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরাফাত হোসেন সোহাগের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসটি এখনো দৃশ্যমান রয়েছে।

চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্য ও সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশ নজরদারিতে রেখেছে। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
   

ওসমান হাদিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলিবিদ্ধের ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত ওই নেতার নাম আরাফাত হোসেন সোহাগ। তিনি চিলমারী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রমনা সরকার বাড়ী এলাকার মো. সুজা মিয়া ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাদিকে গুলিবিদ্ধের ঘটনার পরদিন ১৩ ও ১৫ ডিসেম্বর আরাফাত হোসেন সোহাগ নিজের ফেসবুক আইডি থেকে দুটি মন্তব্য করেন, যা অনেকেই কুরুচিপূর্ণ ও উসকানিমূলক বলে অভিযোগ তুলেছেন। স্ট্যাটাস দুটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুড়িগ্রাম জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুর রহমান পারভেজ প্রকাশ্যে সোহাগকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেন। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক ওয়ালে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন।

এ বিষয়ে আব্দুর রহমান পারভেজ বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মীর ওপর হামলার মতো স্পর্শকাতর ঘটনার পর কেউ যদি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে উসকানি দেয়, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সমাজে ভুল বার্তা ঠেকাতে এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আমরা তাকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছি।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে সামাজিক প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখলেও, অনেকে মনে করছেন-ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কার ঘোষণা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক নেতা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব প্রশাসনের। এ ধরনের উদ্যোগ নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরাফাত হোসেন সোহাগের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসটি এখনো দৃশ্যমান রয়েছে।

চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্য ও সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশ নজরদারিতে রেখেছে। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।