
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় এক স্কুলশিক্ষিকার বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে বসতঘর, আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, জমির দলিল, পাসপোর্ট, শিক্ষাগত সনদসহ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
গত ২৫ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী এলাকার আব্দুল মোতালেব মিয়ার বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই বাড়ির বাসিন্দা স্কুলশিক্ষিকা নাসিমা আক্তারের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগুনে ঘরের প্রায় সব আসবাবপত্র ও ব্যবহার্য সামগ্রী পুড়ে গেছে। এ ছাড়া প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৪০ হাজার টাকা, জমির দলিল, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের তীব্রতায় পরিবারের কোনো মূল্যবান সামগ্রীই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
আগুন লাগার খবর পেয়ে হাতিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পৌঁছানোর আগেই আগুনে ঘরের অধিকাংশ মালামাল পুড়ে যায়।

এ অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। দীর্ঘদিনের সঞ্চয়, মূল্যবান সম্পদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলশিক্ষিকা নাসিমা আক্তার বলেন, ‘হঠাৎ আগুনে আমার সাজানো সংসারটি এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে। ঘরের আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, জমির দলিল, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। নতুন করে সবকিছু গুছিয়ে নেওয়া আমাদের পরিবারের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ দুর্যোগে আমি ও আমার পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের পরিবারের প্রতি সদয় দৃষ্টি দেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করেন, তাহলে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারব।’
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.