
ইতালিতে শ্রমিকের মজুরি বাড়ানো, সরকারি সেবা জোরদার করা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন হাজারো মানুষ। সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর প্রতিবাদও জানিয়েছেন তাঁরা। গতকাল শুক্রবার এ বিক্ষোভের বড় একটি অংশজুড়ে ছিলেন শিক্ষার্থী ও শ্রমিকেরা।
শ্রমিক সংগঠন ইউনিয়নে সিনদাকালে দি বাসে (ইউনিয়ন অব বেসিক ট্রেড ইউনিয়নস) ২৪ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ৪০টির বেশি শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
চলতি মাসের শুরুতে ইতালিতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছিল। সে সময় বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ দোকানপাটে লুটপাট ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালান। তবে গতকালের বিক্ষোভ বেশির ভাগ জায়গায় শান্তিপূর্ণ ছিল। যদিও কয়েকটি এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।
.ফ্রান্সের ইয়েলো ভেস্ট কারা, কীভাবে তাঁদের আন্দোলন শুরু হলো.
ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর তুরিনে কেন্দ্রীয় সরকারের স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরের সামনে পুলিশের তৈরি নিরাপত্তাবেষ্টনীর দিকে এগিয়ে যান বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী ও বামপন্থী কর্মীরা। তাঁদের ঠেকাতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।
.
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা অসন্তোষকে কেন্দ্র করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াতেও সাম্প্রতিক সময়ে বিক্ষোভ হয়েছে।
.
অন্যদিকে রাজধানী রোমে কলোসিয়ামের কাছে বড় একটি মিছিল বের করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা জানান, সেখানে তাঁবু খাটিয়ে পুরো সপ্তাহান্ত অবস্থান করবেন।
সন্ধ্যায় বিক্ষোভকারীদের একটি বড় দল পার্লামেন্টের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বার্তা সংস্থা এএনএসএর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। বারবার পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করায় আটজনকে আটক করা হয়েছে।
.
মিলানে বিক্ষোভকারীরা শহরের রিং রোডে মিছিল করেন। পরে পলিটেকনিকো দি মিলানো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে তাঁদের কর্মসূচি শেষ হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা হাতে মশাল নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেন।
জেনোয়া বন্দরে প্রায় ১৫ হাজার বন্দরশ্রমিক, শিক্ষার্থী ও অন্য বিক্ষোভকারী জড়ো হন। ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চলা বিক্ষোভের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তাঁরা বন্দর ব্যবহার করে অস্ত্র রপ্তানির বিরোধিতা করেন। উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে কৃষ্ণসাগর পর্যন্ত বিভিন্ন সংঘাতে নাবিকদের প্রাণহানির বিষয়টিও তুলে ধরেন তাঁরা।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা অসন্তোষকে কেন্দ্র করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াতেও সাম্প্রতিক সময়ে বিক্ষোভ হয়েছে।
.বিক্ষোভের আগুনে পুড়ছে ইউরোপ, দেশে দেশে জেন–জিরা কেন ফুঁসে উঠেছে
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.