
অমিত মিশ্রকে মনে থাকার কথা অনেকেরই। প্রায় এক দশক ধরে ভারতের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন। দুই বছর আগপর্যন্ত খেলেছেন আইপিএলে।
২০১৭ সালে ভারতের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলা এই লেগ স্পিনার এবার জানালেন, চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠলে তাঁকে দলে ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন তৎকালীন কোচ অনিল কুম্বলে ও অধিনায়ক বিরাট কোহলি। কিন্তু ফিট হয়ে ফেরার পর কোহলির সঙ্গে যোগাযোগ করেও সাড়া পাননি তিনি। বারবার ফোন করলেও কোহলি ধরেননি, বার্তারও জবাব দেননি ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক।
.
সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়ার পডকাস্ট ‘বাইঠ অ্যান্ড বোল’–এ এ সব কথা বলেছেন মিশ্র। তাঁর দাবি, ২০১৭ সালে বেঙ্গালুরুতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি ম্যাচে চোট পাওয়ার পরই তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কার্যত শেষ হয়ে যায়।
চোট পাওয়ার পর তৎকালীন কোচ কুম্বলের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মিশ্র। তিনি বলেন, ‘চোটে যখন দল ছাড়ি, তখন অনিল কুম্বলে কোচ ছিলেন। আমি তাঁকে বললাম, “অনিল ভাই...”। তিনি বললেন, “চিন্তা কোরো না। তুমি ফিট হলেই আবার দলে ফিরবে।”’
.
এরপর কোহলির কাছ থেকেও একই ধরনের আশ্বাস পেয়েছিলেন বলে জানান মিশ্র, ‘এরপর বিরাট কোহলি অধিনায়ক হলো। আমিও ওকে জিজ্ঞেস করলাম, “ভাই, আমাকে কী করতে হবে?” ও বলল, “চিন্তা কোরো না। পুরোপুরি ফিট হয়ে স্বচ্ছন্দবোধ করো, তাহলেই তুমি দলে থাকবে।”’
কিন্তু সুস্থ হয়ে ফেরার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি মিশ্রর। দলে ফেরার বিষয়ে জানতে কোহলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। কোহলি তাঁকে এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে জানাবেন বললেও শেষ পর্যন্ত আর কোনো খবর দেননি।
.ওয়েস্ট ইন্ডিজই পারে কোহলিকে শূন্য রানে আউট করতে.
মিশ্র বলেন, ‘আমি ওর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “ভাই, পরিস্থিতি কী?” ও বলল, “এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে তোমাকে জানাব।” এরপর এক সপ্তাহ গেল, দুই সপ্তাহ গেল, তিন সপ্তাহও পার হয়ে গেল। কিন্তু কোনো খবর নেই। আমি ফোন করলাম, ও ধরল না। বার্তা পাঠালাম, জবাবও দিল না।’
এরপরও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন বলে জানান মিশ্র। কিন্তু কোনো উত্তর না পেয়ে একসময় হাল ছেড়ে দেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমি আবার ফোন করলাম, ও ধরল না। আরও দুবার ফোন করলাম, তবু কোনো সাড়া নেই। আমিও এরপর বিষয়টি ছেড়ে দিলাম। ভাবলাম, আর কী করা যাবে? কেউ যদি আপনাকে না চায়, তাহলে আপনি কী করতে পারেন?’
.
অন্য ক্রিকেটারদের চোট থেকে ফিরে দলে সুযোগ পাওয়ার উদাহরণও টেনেছেন মিশ্র। তাঁর দাবি, তাঁর চেয়ে গুরুতর চোটে পড়া এবং অনেক বেশি সময় মাঠের বাইরে থাকা ক্রিকেটাররাও সুস্থ হয়ে দলে ফিরেছেন। কিন্তু তাঁর ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি।
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই টি-টুয়েন্টি ম্যাচটিই ভারতের হয়ে মিশ্রর সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এরপর আর জাতীয় দলের হয়ে খেলা হয়নি তাঁর। ২০০৩ সালে ঢাকায় টিভিএস কাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২১ বছর বয়সে অভিষেক হলেও মিশ্র দলে নিয়মিত হন আরও পরে। সব মিলিয়ে ভারতের হয়ে ২২ টেস্ট, ৩৬ ওয়ানডে ও ১০ টি–টুয়েন্টি খেলেন তিনি।
.কোহলিকে প্রথম দেখায় কেন ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ মনে হয়েছিল ডি ভিলিয়ার্সের
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.