
প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশন হলো। ৯৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছে এই সেশনে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫১ ওভারে ২২৫/৫
মুমিনুল, মুশফিকের পর অধিনায়ক নাজমুলও ফিরলেন। আউট হয়েছেন ২৯ রান করে। তাঁকে ফিরিয়েছেন স্পিনার কায়েস আহমেদ।
২ উইকেটে ২২১ রান করা বাংলাদেশ ২২৫ রান তুলতেই হারিয়েছে ৫ উইকেট। মানে ৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে দলটি। এই সেশনে দারুনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আফগান বোলাররা। তাদের পেসারদের গতি বেড়েছে, স্পিনারও ভালো জায়গায় বোলিং করছেন।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫০ ওভারে ২২৪/৪
শূন্য রানে ফিরলেন মুশফিক। ইয়ামিন আহমদজাইর বলে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তাঁর করা মিডল স্টাম্প বরবার ইনসুইং ইয়র্কারে বোল্ড হয়েছেন মুশফিক।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪৭.৪ ওভারে ২২১/৩
তানজিদ–সাদমান ফিফটি পেয়েছেন। মুমিনুল সেটাও করতে পারেননি। ৩৯ রানে ইয়ামিন আহমদজাইর বলে আউট হয়েছেন।
আহমদজাইর লেংথ বলটা কিছুটা ভেতরের দিকে ঢুকছিল। পিচে পড়ে একটু ধীরগতিরও হয়েছে। মুমিনুল সামনের পায়ে ভর দিয়ে বলটি খেলতে চেয়েছিলেন । কিন্তু ব্যাটে-বলে ঠিকমতো করতে পারেননি। ক্যাচ দিয়েছেন কাভারে, রহমত শাহর কাছে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪২ ওভারে ২০২/২
দুই ওপেনার ফেরার পরও বাংলাদেশের রানের গতি থেমে নেই। মুমিনুল হকের সঙ্গে এখন উইকেটে আছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। দুজনেই খেলছেন সাবলীলভাবে। মুমিনুল ৩৫ আর নাজমুল ১২ রানে অপরাজিত।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৮ ওভারে ১৮৪/২
সেঞ্চুরি মিস করলেন সাদমানও। তাঁর সামনেও ছিল বড় ইনিংস খেলার সুযোগ। কিন্তু ৬৭ রান করে ফিরেছেন এই ওপেনার।
সেলিমের বুকসমান উচ্চতায় শর্ট বলে পুল খেলেছিলেন সাদমান। মাটিতে রাখতে চাইলেও পারেননি। বল চলে যায় স্কয়ার লেগে থাকা ফিল্ডার জিয়া-উর-রহমানের কাছে। দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৩ ওভারে ১৬৪/১
৫ রানে জীবন পেয়েছিলেন। শহীদির ক্যাচ মিসে বেঁচে যান। সেই সাদমান পেয়েছেন ফিফটি। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর নবম ফিফটি। এর আগে তানজিদও ফিফটি করেন। তিনি আউট হয়েছেন ৮৩ রানে। সাদমান নিশ্চয়ই একই ভুল করতে চাইবেন না!
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৬ ওভারে ১৩৪/১ (প্রথম সেশন শেষে)
তানজিদের ব্যাটে প্রথম দিনের প্রথম সেশনটা বাংলাদেশের। ৭১ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেছেন তানজিদ। সাদমানও তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন, অপরাজিত ৪১ রানে। তাঁর সঙ্গে উইকেটে আছেন মুমিনুল, এই বাঁহাতির ব্যাট থেকে এসেছে ৫ রান।
আফগানিস্তানের হয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন ইসমত আলম।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৬ ওভারে ১৩৪/১ (তানজিদ ৮৩, সাদমান ৪১*, মুমিনুল ৫*; ইসমত ১/১৭, সালিম ০/৩১, হাশমতউল্লাহ ০/২৪, ইয়ামিন ০/৩৭)। প্রথম সেশন শেষে।
কৌশল পরিবর্তনের সুফল পেয়েছে আফগানিস্তান। উইকেট থেকে বেরিয়ে এসে খেলতে অভ্যস্ত তানজিদের জন্য উইকেটকিপারকে তারা এগিয়ে আনেন স্টাম্পের কাছে। সেটাই হয়তো তানজিদের মনযোগে কিছুটা বিঘ্ন ঘটিয়েছে। এরপর ষষ্ঠ স্টাম্পের লাইনে করা শর্ট বলে ব্যাট ছোঁয়ান তানজিদ। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপারের গ্লাভসে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৩ ওভারে ১২৪/১
না, সেঞ্চুরিটা হলো না। তানজিদ ফিরলেন ৮৩ রান করে। ইসমত আলমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তানজিদ। দারণ ক্যাচ নিয়েছেন আফগান উইকেটকিপার ইকরাম। উইকেটে এসেছেন মুমিনুল হক।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৮ ওভারে ১০৩/০
ওপেনিং জুটিতে শতরান তুলল বাংলাদেশ। তানজিদের ব্যাট থেকে এসেছে ফিফটি। ৫৪ বলে ৬৬ রানে অপরাজিত আছেন তানজিদ। সাদমান তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন, ৩২ রানে অপরাজিত তিনি।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৪ ওভারে ৭৪/০
আফগানিস্তানের বোলারদের বিপক্ষে তানজিদ ইনিংসের শুরু থেকেই ছিলেন সাবলীল। তিনি ফিফটি পেয়েছেন ৪১ বলে। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর দ্বিতীয় পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন এই ওপেনার। অন্য প্রান্তে সাদমান খেলছেন প্রথাগত টেস্ট মেজাজে। ৪৪ বলে ১৯ রানে অপরাজিত আছেন সাদমান।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১০.২ ওভারে ৫৬/০
তানজিদ–সাদমানের ব্যাটে দারুণ শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। দুজনে মিলে এরইমধ্যে তুলেছেন ৫৬ রান। তানজিদ খেলছেন আক্রমণাত্মক কৌশলে, ৩৩ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত তিনি। সাদমান ৩০ বলে ১৩ রানে অপরাজিত।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭ ওভারে ৩২/০
৫ রানে জীবন পেলেন সাদমান। সপ্তম ওভারে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে কাভারে হাশমতউল্লাহ শহীদির হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন সাদমান। মিস করেছেন শহীদি। অন্য প্রান্তে ওয়ানডে মেজাজে ২৪ বলে ২১ রান করেছেন তানজিদ।
এখনো তেমন কিছুই ঘটেনি। তানজিদ হাসান ও সাদমান সাবলীলভাবেই শুরুটা করেছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চোখ বড় সংগ্রহের দিকেই থাকবে।
এই মাঠে প্রথম ইনিংসে দলীয় গড় স্কোর ৩৬০।
বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন।
আফগানিস্তান একাদশ: আবদুল মালিক, সেদিকউল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহীদি, ইকরাম আলিখিল (উইকেটকিপার), জিয়া-উর-রহমান , শহিদুল্লাহ কামাল, ইয়ামিন আহমদজাই, কাইস আহমেদ, মোহাম্মদ সেলিম সাফি ও ইসমত আলম।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন।
আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের মুখোমুখি আফগানিস্তান। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এটাই প্রথম টেস্ট বাংলাদেশ দলের।
তিন বছরে ৮ টেস্ট খেলতে না পারলে আইসিসির টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে নাম ওঠে না। বাংলাদেশের সঙ্গে ম্যাচটা আফগানিস্তানের এই সময়ের মধ্যে ষষ্ঠ টেস্ট। র্যাঙ্কিংয়ে নাম তুলতে তাদের আরও দুটি টেস্ট খেলতে হবে। এতটুকু পড়ে নিশ্চয়ই আফগানিস্তানকে সহজ প্রতিপক্ষ মনে হচ্ছে। তাহলে কিন্তু একটু ভুলই করবেন।
কেন ভুল হবে সেটা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
র্যাঙ্কিংয়ে না থাকা আফগানিস্তানও কেন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশ–আফগানিস্তান টেস্টে এতদিন ছড়ি ঘুরিয়েছেন কারা? মানে কাদের পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভালো—তা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
বাংলাদেশ–আফগানিস্তান টেস্টে সেরা পারফর্মার কারা
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.