
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই মাছ বিক্রেতাকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনাদায়ে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে দণ্ডপ্রাপ্তরা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়নি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশীদ ইরাম খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর পাছপাড়া গ্রামের আকবর ব্যাপারীর ছেলে খয়বর ইসলাম এবং রাখালবুরুজ ইউনিয়নের চাঁদপাড়া সিঙ্গা গ্রামের নীলা শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ শহরের মৎস্য বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। এ সময় ওই দুই মাছ বিক্রেতার কাছে থাকা চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে তাদের আটক করে উপজেলা মৎস্য অফিসে নেওয়া হয়।

এরপর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশীদ ইরাম খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত দুই মাছ বিক্রেতার প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই মাছ বিক্রেতা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের কারাদণ্ড কার্যকর হয়নি।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, 'চিংড়ি মাছে জেলজাতীয় পদার্থ মেশানো জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বাজারে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে অনিয়ম পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.