
জীবন-জীবিকা ও যাতায়াতের অন্যতম ভরসা যমুনা নদী। কিন্তু নাব্যতা সংকটে এখন ব্যাহত হচ্ছে নৌযান চলাচল। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চরাঞ্চলের হাজারো মানুষ।
ইসলামপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নসহ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলার হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা এই নৌপথ। ফলে দ্রুত সমস্যার সমাধান চান চরবাসী।
শুকনো মৌসুম এলেই বদলে যায় নদীর চিত্র। কোথাও জেগে ওঠে বালুচর, কোথাও কমে যায় পানির গভীরতা। এতে নদীপথে চলাচলকারী নৌকা ও ট্রলার পড়ছে বিপাকে। মাঝনদীতে আটকে যাচ্ছে যাত্রীবাহী নৌযান, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। চরবাসীর জন্য নৌকাই একমাত্র যোগাযোগমাধ্যম। স্কুল-কলেজ, হাটবাজার কিংবা জরুরি চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই নির্ভরতা নদীপথে। কিন্তু নাব্যতা কমে যাওয়ায় সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।
ইজারাদার লানজু আহমেদ ও আইনল হক জানান, নিয়মিত ড্রেজিং না থাকায় বছর বছর এই সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
তারা আরও জানান, গুঠাইল নৌকাঘাট থেকে প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব পায় সরকার। কিন্তু নৌযাত্রীদের সুবিধার জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেই। নদী ড্রেজিং করে নাব্যতা স্বাভাবিক রাখার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে ক্যামেরায় কথা না বললেও খুদে বার্তায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুমি আক্তার জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাব্যতা সংকট কাটাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় চরাঞ্চলের মানুষ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.