
ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৫টি প্রদেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানী তেহরানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে গুলি এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিক্ষোভ ১৩তম দিনে প্রবেশ করেছে। দেশটির অর্থনৈতিক সংকট ও সরকারি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার প্রতিবাদে বিভিন্ন শহরে জনগণ বিক্ষোভে নামেছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৬ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।
তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা গত মাসের শেষ দিকে দোকানপাট বন্ধ করে প্রথম বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস গ্রুপ জানায়, কেরমানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহরে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এইচআরএএনএ সংস্থার ভিডিওতে দেখা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশের কুহচেনার শহরে বিক্ষোভকারীরা রাতভর উল্লাস করেছে এবং ২০২০ সালে নিহত ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের সাবেক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য ভেঙে ফেলেছে।
বিক্ষোভকারীরা তেহরানের বিভিন্ন সড়কে আগুন জ্বালিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছেন। বুরুজের্দ, আর্সানজান, গিলান-এ-ঘার্ব ও কাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী তোনেকাবনসহ বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেছে।
ইরানের নির্বাসিত নেতা রেজা পাহলভি বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “বিক্ষোভ দেখে শাসকগোষ্ঠী আতঙ্কিত। তারা বিক্ষোভ দমাতে ইন্টারনেট বন্ধ করার চেষ্টা করছে।” পাশাপাশি ইরানের কুর্দিশ দলও চলমান বিক্ষোভের সমর্থনে দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.